মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬৬ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

ইছামতীতে নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জন, হলো না দুই বাংলার মিলনমেলা

সাতক্ষীরার দেবহাটার টাউনশ্রীপুরে ইছামতী নদীতে বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছেন। কঠোর নিরাপত্তার কারণে এবারও দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা হয়নি। বাংলাদেশের পাড় থেকে কাউকে নৌকা নিয়ে নদীতে নামতে দেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, দেশভাগের আগে থেকে টাউনশ্রীপুর থেকে টাকি পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে এ মিলনমেলা বসত।#DurgaPuja #Ichamati #Satkhira #BangladeshIndiaBorder #MeehaNews

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ইছামতী নদীতে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন
ইছামতীতে নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জন, হলো না দুই বাংলার মিলনমেলাছবি: মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন,

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টাউনশ্রীপুরে ইছামতী নদীতে বাংলাদেশ ও ভারতের নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। গতকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে নদীর দুই পাড়ে হাজারো মানুষ এলেও এবারও দুই বাংলার মিলনমেলা হয়নি। এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন নদীতীরে আসা অনেকে।

সকাল থেকেই ইছামতীর বাংলাদেশ অংশের টাউনশ্রীপুর ও ভারতের টাকি পৌরসভা এলাকার দুই পাড়ে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দুই দেশের বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে শতাধিক প্রতিমা আনা হয় নদীতীরে। ভারতের দিকে বিসর্জনের জন্য আনা হয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাসনাবাদ, টাকি ও হিঙ্গলগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার প্রতিমা।

নদীর শূন্যরেখায় ডিঙি নৌকায় লাল পতাকা উড়িয়ে দুই দেশের সীমানা চিহ্নিত করতে দেখা যায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের (BSF) সদস্যদের। ভারতের পাড়ে প্রতিমা বিসর্জন ও নৌযানে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়লেও বাংলাদেশের পাড় থেকে কাউকে নৌকা নিয়ে নদীতে নামতে দেওয়া হয়নি। কঠোর নিরাপত্তার কারণে নৌযানে দুই দেশের মানুষের কাছাকাছি আসার সুযোগও ছিল না। সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টহল ও নজরদারি জোরদার করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা কর্ণ বিশ্বাস, পারুল বিশ্বাস ও সুভাষ ঘোষসহ অনেকে জানান, দেশভাগের আগে থেকেই বিজয়া দশমীতে ইছামতীর দুই তীরে ঐতিহ্যবাহী মিলনমেলা বসত। দেবহাটার টাউনশ্রীপুর থেকে ভারতের টাকি পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ উৎসবে দুই বাংলার লাখো মানুষের সমাগম হতো। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হতো, নদীর দুই পাড়ে বসত নানা ধরনের দোকানপাট।

তাঁদের ভাষায়, এই মিলনমেলা দুই বাংলার মানুষের সম্প্রীতির প্রতীক। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নিরাপত্তার কারণে সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যাচ্ছে না।

কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব শেষ হয়। সন্ধ্যার পর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।