রূপগঞ্জে ওয়াজ মাহফিলের কমিটি নিয়ে বিরোধে যুবদল নেতা নিহত
- নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম না থাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রিপন মিয়া নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। - রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা কুলি মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। - নিহতের পরিবারের অভিযোগ, কমিটিতে নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ নিয়েও আগে থেকে বিরোধ ছিল বলে তাঁদের দাবি। - পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। #Rupganj #Narayanganj #YouthPolitics #BangladeshNews #MeehaNews

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে রিপন মিয়া নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা কুলি মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিপন মিয়া পাইস্কা এলাকার শহিদুল্লাহ মিয়ার ছেলে। তিনি ভোলাবো ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন এবং কাঠের ব্যবসা করতেন।
নিহতের ছেলে শাওন মিয়া ও শাহিন মিয়ার দাবি, গত ৬ ও ৭ অক্টোবর পাইস্কা এলাকায় স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে একটি ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে রিপন মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ছিলেন। তবে স্থানীয় রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী ও ইমন কাজীর নাম কমিটিতে না থাকায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আগে থেকেই রিপন মিয়ার সঙ্গে অভিযুক্ত কয়েকজনের বিরোধ ছিল। রোববার সন্ধ্যায় রিপন মিয়ার সঙ্গে রিফাত কাজী ও তাঁর লোকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি দল তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর রিপন মিয়ার মৃত্যু হয়। এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, রিপন মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আমার দেশ জানিয়েছে, হত্যার ঘটনা ও মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রিফাত কাজীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





