কমনওয়েলথ রাইটিং কম্পিটিশনে ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঝিলাম
ঝিলাম কুইনস কমনওয়েলথ রাইটিং কম্পিটিশন ২০২৬-এ ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। ১৬ অক্টোবর রাত প্রায় ৩টায় ই-মেইলে তিনি তা জানতে পারেন। পড়াশোনার ব্যস্ততায় প্রতিযোগিতার কথা প্রায় ভুলে গিয়েছিলেন। সময়সীমার ঠিক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে অল্প সময়ে রচনা জমা দেন। আরসিএসের তথ্য অনুযায়ী, এবার রেকর্ড ৫৩ হাজার ৮৪০ জন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। #QCWC2026 #CommonwealthWriting #Bangladesh #BronzeAward #MeehaNews

কুইনস কমনওয়েলথ রাইটিং কম্পিটিশন ২০২৬-এ (The Queen’s Commonwealth Writing Competition 2026) ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ঝিলাম। ১৬ অক্টোবর রাত প্রায় ৩টায় ফোনে ই-মেইল নোটিফিকেশন (notification) দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। ঝিলাম জানিয়েছেন, এই স্বীকৃতির কথা তিনি ভাবেননি।
পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকায় প্রতিযোগিতার কথা তিনি প্রায় ভুলেই গিয়েছিলেন। সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেখে মনে পড়ে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যে একটি রচনা (essay) লিখে তিনি জমা দেন। লেখাটি নিয়ে বেশি কাজ করার সুযোগ হয়নি, তাই বিশেষ কোনো প্রত্যাশাও ছিল না বলে জানান তিনি।
রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটির (আরসিএস) তথ্য অনুযায়ী, এবার রেকর্ড ৫৩ হাজার ৮৪০ জন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। আরসিএস ১৮৮৩ সাল থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে। সংস্থাটি একে বিশ্বের প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক লেখা প্রতিযোগিতা বলে দাবি করে। এবারের বিষয় ছিল “কমন গ্রাউন্ড: বেটার টুগেদার” (Common Ground: Better Together)। বিজয়ী নির্বাচিত না হলেও অংশগ্রহণকারীরা সনদ পান। উৎকৃষ্ট লেখা পায় গোল্ড, সিলভার বা ব্রোঞ্জ স্বীকৃতি। বিজয়ী নির্বাচিত হন পাঁচ অঞ্চলের প্রত্যেকটি থেকে একজন করে।
ঝিলাম বলেন, এত লেখার মধ্যে তাঁর লেখাও স্বীকৃতি পেয়েছে, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। হয়তো খুব বড় কিছু নয়, তবে তাঁর কাছে এর গুরুত্ব অনেক। লেখালেখির আগ্রহ ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করতে এ স্বীকৃতি তাঁকে অনুপ্রাণিত করবে বলে জানান তিনি।





