মূল কনটেন্টে যান
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬২ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

সিভিতে মিথ্যা তথ্যের অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দুদকের

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রোববার সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে। দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান। দুদকের অভিযোগ, ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক পদে আবেদনের সিভিতে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈতনিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করার মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। মামলাটি ২০২৫ সালের ২০ মার্চ দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে হয়েছিল। চার্জশিট অনুমোদন হলেও অভিযোগ আদালতে এখনো প্রমাণিত হয়নি। #SaimaWazed #ACC #WHO #Bangladesh #MeehaNews

সায়মা ওয়াজেদ
সায়মা ওয়াজেদছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পদ পেতে জীবনবৃত্তান্তে (সিভি) মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের (পুতুল) বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ অক্টোবর) এক ব্রিফিংয়ে দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সায়মা ওয়াজেদ ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে আবেদনের সময় সিভিতে দাবি করেন, তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএমএমইউ) অবৈতনিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন। দুদকের এজাহারে বলা হয়, তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা বা শিক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশিকা তৈরি ও পর্যালোচনার কাজে যুক্ত ছিলেন না। ২০২৩ সালে এই তথ্য দিয়ে ডব্লিউএইচওতে আবেদন করে তিনি পদটি পান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনের সময় সায়মা ওয়াজেদ জাতীয় অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ছিলেন। দুদকের অভিযোগ, যথাযথ যাচাই ছাড়াই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন হয়ে সিভিটি ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তরে পাঠানোর জন্য তিনি চাপ প্রয়োগ করেন। তদন্তে এ কর্মকাণ্ডে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

২০২৫ সালের ২০ মার্চ দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলাটি হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের মানি লন্ডারিং-১ শাখার উপপরিচালক তাহাসিনা মুনাবিল হক মামলাটি তদন্ত করেন। দুদক জানায়, তদন্তে আসা অভিযোগের কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সে কারণেই চার্জশিট অনুমোদন করা হয়েছে।

চার্জশিট অনুমোদনের অর্থ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। চার্জশিট আদালতে দাখিলের পর বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। দুদক সূত্রের বরাতে ঢাকা মেইল জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল। তরঙ্গ নিউজের তথ্যমতে, দ্বিতীয় মামলাটি সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে ২০টি ব্যাংক থেকে ৩৩ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগে। এই অনুমোদন ডব্লিউএইচও-সংক্রান্ত মামলার জন্য।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

আজ

রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।