ফ্রান্সের লিমোজে বিক্ষোভকারীদের আগুনে প্রায় ধ্বংস ১৪৩ বছরের পুরোনো সিটি হল
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে লিমোজ শহরের ১৪৩ বছরের পুরোনো সিটি হলে আগুন দেওয়া হয়। ভবনের ছাদ ধসে গেছে এবং পশ্চিম দিক ছাড়া বাইরের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, মুখোশধারী একদল বিক্ষোভকারী জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আগুন ধরান। সরকার সহিংসতার জন্য 'উগ্র বামপন্থীদের' দায়ী করেছে। #France #Limoges #Protest #CostOfLiving #MeehaNews

ফ্রান্সের লিমোজ শহরের ১৪৩ বছরের পুরোনো সিটি হল বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলার সময় এ ঘটনা ঘটে।
ভবনটির ছাদ ধসে পড়েছে। পশ্চিম দিকের অংশ ছাড়া বাইরের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশও নষ্ট হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানান স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান কর্মকর্তা মরিস বারাত। তিনি ক্ষয়ক্ষতিকে ঐতিহ্যের জন্য বিপর্যয় বলে বর্ণনা করেন এবং ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বলে নিন্দা জানান। প্রথম আলোর প্রতিবেদনের ছবির ক্যাপশন অনুযায়ী, ভবনের ঘড়ির টাওয়ারও ধসে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, সিটি হলের বাইরে একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার পর মুখোশধারী একদল বিক্ষোভকারী ভবনের জানালা ভাঙেন। পরে তাঁরা ভেতরে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে গভীর রাতে দমকলকর্মীদের মোতায়েন করা হয়। যুগান্তর ও সংবাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভবনটি দুই বিশ্বযুদ্ধেও টিকে ছিল। লিমোজের শহরকেন্দ্রের কয়েকটি দোকানেও লুটপাট হয়েছে।
প্রথম আলোর তথ্যমতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, স্কুলে নানা সংকট ও সরকারি সেবার মান খারাপ হওয়ার প্রতিবাদে শনিবার দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নামেন। রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। লিওঁ শহরে একটি পর্যটন কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। বিভিন্ন সরকারি ভবনেও হামলা হয়েছে।
ফ্রান্স সরকার এই অস্থিরতার জন্য ‘উগ্র বামপন্থীদের’ দায়ী করেছে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বলেছেন, সহিংসতায় ১৫০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ বলা হয়েছে।





