মূল কনটেন্টে যান
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

ধর্ষণের অভিযোগে বান্দরবানে এনসিপি নেতা কারাগারে

বান্দরবানে এক নারীর করা ধর্ষণ মামলায় এনসিপির জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যসিং মারমাকে (৫৫) গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মামলা হয় এবং একই রাতে তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়; অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি। জেলা এনসিপি বলেছে, দলীয় গঠনতন্ত্র ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #Bandarban #NCP #RapeCase #Bangladesh #MeehaNews

এনসিপি নেতা শৈক্যসিং মারমা।
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে পাঠানো এনসিপি নেতা শৈক্যসিং মারমাছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানে এক নারীর করা ধর্ষণ মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যসিং মারমাকে (৫৫) গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বান্দরবান সদর থানায় মামলা হয়। একই রাতে সদর উপজেলার মধ্যমপাড়ায় তাঁর বাড়ি থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহারের বরাতে কালবেলা লিখেছে, শৈক্যসিং মারমা মঙ্গশৈপ্রু মারমার ছেলে এবং বান্দরবান সদরের মধ্যমপাড়ার বাসিন্দা। বাদীর সঙ্গে তাঁর দূর-সম্পর্কের আত্মীয়তা আছে বলে এজাহারে বলা হয়েছে।

এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত পাঁচ মাসে বান্দরবান শিশুপার্কের পাশে তাঁর পরিচালিত ‘সাইনী রিসোর্টে’ কয়েক দফা ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ। শুক্রবার ওই নারীকে সেখানে ডেকে নেওয়া হয় এবং ধর্ষণ করা হয়, এমন অভিযোগও রয়েছে। এরপর তাঁরা একসঙ্গে দুপুরের খাবার খান। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিয়ের কথা উঠলে তিনি রাজি হননি, দুর্ব্যবহার করেন এবং ওই নারীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এলে তিনি ওই নারীকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান বলেও অভিযোগে আছে। স্থানীয়দের কয়েকজন কালবেলাকে জানান, ওই দিন দুপুরের দিকে রিসোর্টে এক নারীর চিৎকার ও কান্নার শব্দ তাঁরা শুনেছেন।

বান্দরবান সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে মধ্যমপাড়ায় অভিযুক্তের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কোন আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বা পরবর্তী শুনানির তারিখ কী, তা সূত্রগুলোতে নেই।

এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মংসাপ্রু চৌধুরী জানিয়েছেন, ঘটনায় জেলা কমিটি অত্যন্ত বিভ্রান্ত। দলীয় গঠনতন্ত্র ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। দ্য ডেইলি স্টার তাঁর বক্তব্যের ইংরেজি রূপে “deeply embarrassed” (অত্যন্ত বিব্রত) লিখেছে।

এ মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য বা আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

পিয়ানী পিং

পার্বত্য প্রতিনিধি

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

আজ

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।