কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানবাহিনীপ্রধান আবদুল হান্নান
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) শেখ আবদুল হান্নানকে ১৫ অক্টোবর কাতারের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে; ইন্টারপোল তা দুদককে ই-মেইলে জানিয়েছে। তিনি দুদকের মামলার আসামি; সম্পদ অর্জন ও আর্থিক লেনদেনের এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি। ২০২৫ সালে আদালত তাঁর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল। #Bangladesh #ACC #Qatar #Interpol #MeehaNews

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) শেখ আবদুল হান্নানকে কাতারে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একজন কর্মকর্তা রোববার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর কাতারের পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল পুলিশের মাধ্যমে ই-মেইলে তা দুদককে জানায়।
দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান রোববার বিকেলে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল। কাতারে তাঁকে কোথায় বা কোন অভিযোগে আটক রাখা হয়েছে, বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া কেমন হবে বা তাঁর পক্ষের কোনো বক্তব্য প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নেই।
হান্নান ১৯৮৪ সালে বিমানবাহিনীতে কমিশন পান। ২০২১ সালের ১২ জুন তিনি বাহিনীর ১৬তম প্রধান হন এবং ২০২৪ সালের ১১ জুন অবসরে যান।
দুদক ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে। ওই বছরের মে মাসে আদালত তাঁর সম্পদ জব্দের আদেশ দেন। জুলাইয়ে দুদক তাঁর বিরুদ্ধে অজ্ঞাত সম্পদের অভিযোগে মামলা করে। ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৭ জুলাই ২০২৫ দায়ের করা দুটি মামলার একটিতে হান্নানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তাঁর নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ২৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের কথাও বলা হয়। অন্য মামলায় তিনি ও তাঁর স্ত্রী তাহমিদা বেগম আসামি; সেখানে স্ত্রীর জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত ১ কোটি ৯২ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে।
প্রথম আলোর পটভূমি অংশ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই দুদক জানায়, তাঁর সন্তানদের কানাডা, দুবাই ও কাতারে বড় অঙ্কের সম্পদ আছে। সে বছরের ১১ নভেম্বর আদালত দুটি ফ্ল্যাট জব্দ ও ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন। এসব অভিযোগ ও দুদকের দাবি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।





