আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভার অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে রোববারের বৈঠকে মন্ত্রিসভা সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির তথ্যমতে, ৩১ দশমিক ৫১ একর জায়গায় ১৪টি ১২তলা ভবন হবে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে অফিস করার আশা সরকারের। ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছিল। নতুন জায়গায় যানজট সামলানোই মূল চ্যালেঞ্জ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। #Secretariat #SherEBanglaNagar #Cabinet #Dhaka #MeehaNews

বাংলাদেশ সচিবালয় আবদুল গনি রোড থেকে সরিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সরকার আশা করছে, ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন জায়গায় অফিস শুরু করা যাবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
তিনি বলেন, শেরেবাংলা নগরে ৩১ দশমিক ৫১ একর জায়গায় ১৪টি ১২তলা ভবন হবে। সব মিলিয়ে নির্মাণ হবে প্রায় ৩২ লাখ বর্গফুটের ভবন। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে অফিস করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সচিবালয় স্থানান্তর নিয়ে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা ছিলেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরদিনই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করতে পরিকল্পনা কমিশনকে চিঠি দেয়।
যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই সচিবালয় সেখানে সরানো হবে। মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে নির্মাণ ও স্থানান্তরের মূল কাজ সরকারের মেয়াদের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি জানান।
শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরানোর উদ্যোগ আগেও কয়েকবার নেওয়া হয়েছিল। চ্যানেল আই অনলাইনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ২ হাজার ২০৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। তখন ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা বলা হয়েছিল। প্রস্তাবিত জমি ছিল জিয়া উদ্যানের উত্তরে এবং বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিমে, যেখানে প্রতিবছর বাণিজ্য মেলা হয়।
প্রথম আলোর আগের একটি প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, স্থানান্তরের পর মূল চ্যালেঞ্জ হবে যানজট। শেরেবাংলা নগর ও আগারগাঁওয়ে ইতিমধ্যে অনেক সরকারি স্থাপনা আছে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ওই এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে।





