পরোয়ানা জারির পরদিন আদালতে পরীমনি, জামিনের আবেদন করবেন
বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন অনুপস্থিত থাকায় আদালত পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে হাজির হয়েছেন। তাঁর আইনজীবী অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কথা জানিয়ে সময় চেয়েছিলেন। বাদীপক্ষ জামিন বাতিলের আবেদন করে। পিবিআই ২০২৪ সালে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানায়। ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে সত্যতা মেলেনি। আদালত সূত্র জানিয়েছে, পরীমনি আবার জামিনের আবেদন করবেন।#Porimoni #Dhallywood #DhakaCourt #BoatClubCase #MeehaNews

মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির একদিন পর আদালতে হাজির হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। আদালত সূত্র জানিয়েছে, তিনি এ মামলায় আবার জামিনের আবেদন করবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে আসেন পরীমনি। সকাল ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত তিনি একটি সাদা গাড়িতে বসে শুনানির অপেক্ষায় ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের কয়েকজন। পরোয়ানা জারির বিষয়ে তিনি বলেছেন, পরোয়ানা যেহেতু জারি হয়ে গেছে, আদালতে যাওয়া ছাড়া তাঁর আর উপায় নেই।
বুধবার (৪ নভেম্বর) মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। পরীমনি হাজির না হওয়ায় তাঁর আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। আইনজীবীর ভাষ্য, অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারেননি। বাদীপক্ষ তখন আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করে। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল আদালতকে বলেন, পরীমনি ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হননি। (বিডিনিউজ২৪)। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান সময়ের আবেদন নাকচ করেন। তিনি জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর। (বিডিনিউজ২৪)
মামলাটি করেছেন বোট ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। ২০২১ সালের ৬ জুলাই তিনি পরীমনি, ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এজাহারের অভিযোগ, ওই বছরের জুনে রাতে সাভারের বোট ক্লাবে বিরোধের একপর্যায়ে বাদীকে গালমন্দ ও মারধর করা হয়। তাঁর দিকে একটি সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছোড়া হয়, এতে মাথা ও বুকে আঘাত লাগে। ক্লাবে ভাঙচুর ও হত্যার হুমকির অভিযোগও আনা হয়েছে। এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
প্রথম আলোর তথ্যমতে, একই ঘটনা নিয়ে পরীমনিও নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছিলেন।
তদন্ত শেষে ২০২৪ সালে পিবিআই প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে পরীমনি ও জিমের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়। বনির বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়া যায়নি। আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জিমকে হাজির হতে সমন দেন। ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা হাজির হয়ে জামিন পান। ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সেদিনও পরীমনি হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। পরে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিন পান।





