মূল কনটেন্টে যান
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

সাতক্ষীরায় অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবির মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মামুন গ্রেপ্তার

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় মঙ্গলবার রাতে দেবহাটার চণ্ডীপুর থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১ নভেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করেন নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাহেব আলী। মামুন দ্বিতীয় আসামি। এজাহারে ১৫ ও ২০ অক্টোবর হুমকি এবং এক লাখ টাকা দাবির কথা আছে। ২৯ অক্টোবর ও ১ নভেম্বর ফেসবুক আইডি থেকে ছবি ও ভিডিও প্রকাশের অভিযোগও রয়েছে। বাদীর দাবি, পরে ৫০ হাজার টাকায় সমঝোতা হলেও ব্ল্যাকমেল চলছিল। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত নয়।#Satkhira #Debhata #ContentCreator #MeehaNews

সাতক্ষীরায় চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন
গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন

ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে দেবহাটা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামুন চণ্ডীপুর প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক করিম উল্লাহ মাস্টারের ছেলে। সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির বলেন, ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে মামুনের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ নিয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

গত ১ নভেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলাটি করেন দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাহেব আলী। তিনি এখন সাতক্ষীরায় থাকেন। এজাহারে সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিসান বাবুলকে প্রধান আসামি এবং মামুনকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। তৃতীয় আসামি সাহেব আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ওরফে মৌসুমী। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজন আসামি।

এজাহার অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে ছয়-সাত মাস আগে সাহেব আলী স্ত্রীকে তালাক দেন। অভিযোগ, ওই নারী দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও গোপনে ধারণ করে রাখেন। পরে অভিযুক্তরা সেগুলো সংগ্রহ করে হোয়াটসঅ্যাপে সাহেব আলীকে পাঠান।

মামলায় ঘটনার ধারাবাহিকতা এভাবে বলা হয়েছে:

১৫ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও পাঠিয়ে সাহেব আলীকে ভয় দেখানো হয়। কথা না শোনলে বড় ক্ষতির হুমকিও দেওয়া হয়। ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে যোগাযোগ করে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ছিল। ২৯ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে ‘সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে এবং ১ নভেম্বর দুপুর ২টার দিকে মামুনের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সাহেব আলীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে, এসবের ভিডিও, স্ক্রিনশট ও অডিও রেকর্ডিং সংরক্ষিত আছে।

সাহেব আলী বলেন, ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং একপর্যায়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। শেষে ৫০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়। তাঁর ভাষ্য, টাকা দেওয়ার পরও ব্ল্যাকমেল চলছিল এবং আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছিল। নিরুপায় হয়ে তিনি থানায় মামলা করেছেন।

এজাহারের অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।