চুয়েটে ভবন থেকে ইট পড়ে কর্মচারী আহত, হাসপাতালে দেখতে গেলেন উপাচার্য
৩০ অক্টোবর চুয়েট ক্যাম্পাসে পানির লাইনে কাজ করার সময় তিনতলা থেকে খসে পড়া ইটে প্লাম্বিং সহকারী মো. ইকবাল হোসেন রাজুর পায়ের হাড় ভেঙে যায়। তাঁর জরুরি অস্ত্রোপচার হয়েছে। চিকিৎসকেরা আশা করছেন, ছয় সপ্তাহের মধ্যে ক্ষত অনেকটা সেরে উঠবে। নগরীর কাতালগঞ্জের সার্জিস্কোপ হাসপাতালে (ইউনিট-২) গিয়ে উপাচার্য চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। উপাচার্য প্রয়োজনীয় সব প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।#CUET #Chattogram #CampusNews #MeehaNews

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) কাজ করার সময় ইট পড়ে আহত কর্মচারী মো. ইকবাল হোসেন রাজুকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। রাজু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের প্লাম্বিং সহকারী।
বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ক্যাম্পাসে পানির সরবরাহ লাইনের জরুরি সংস্কারে কাজ করছিলেন রাজু। পাশের একটি ভবনের তিনতলা থেকে অসাবধানতাবশত একটি ইট খসে তাঁর পায়ে পড়ে। পায়ের হাড় ভেঙে যায়, শুরু হয় প্রচুর রক্তক্ষরণ। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত নগরীর কাতালগঞ্জের বেসরকারি সার্জিস্কোপ হাসপাতালে (ইউনিট-২) নেওয়া হয়।
ওই দিনই উপাচার্য হাসপাতালে যান। ছুটির দিন হওয়ায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও কর্মচারী। উপাচার্য কর্তব্যরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন এবং অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসার অগ্রগতির খোঁজ নেন।
চিকিৎসকেরা জানান, ইটের আঘাতে পায়ের হাড় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। রাজুকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সঠিক থেরাপি ও বিশ্রামে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে ভাঙা হাড়ের ক্ষত অনেকটা সেরে উঠবে বলে চিকিৎসকেরা আশা করছেন। হাসপাতালে রাজুর দেখভালে সার্বক্ষণিক আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকর্মী।
রাজু ও তাঁর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘চুয়েট প্রশাসন কোনো অবস্থাতেই তার কর্মচারীদের একা ছেড়ে দেবে না। পুরো চুয়েট পরিবার ইকবাল হোসেনের পাশে রয়েছে।’ রাজুর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ২৭ অক্টোবর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের অফিস সহায়ক সাইফুল রহমান ভাইরাসজনিত সংক্রমণে গুরুতর অসুস্থ হলে নগরীর সিএসসিআর হাসপাতালে গিয়ে তাঁকেও দেখে আসেন উপাচার্য।





