ময়মনসিংহে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৭ জনের মৃত্যু: গাজীপুর থেকে বাসচালক ইকবাল গ্রেপ্তার
গত ২ অক্টোবর ময়মনসিংহ নগরীর রহমতপুর বাইপাস সড়কে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন। মামলার প্রধান আসামি বাসচালক ইকবাল হোসেনকে (৪৭) গাজীপুরের বাসন থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন এবং অটোরিকশার চালক রয়েছেন।#Mymensingh #RoadAccident #BangladeshNews #MeehaNews

ময়মনসিংহ নগরীর রহমতপুর বাইপাস সড়কে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহতের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি বাসচালক ইকবাল হোসেনকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকা থেকে তাকে ধরা হয়। দুর্ঘটনার প্রায় চার সপ্তাহ পর এই গ্রেপ্তার।
ইকবাল গাজীপুর সদর উপজেলার পালের পাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম জানান, মামলা হওয়ার পর থেকেই চালককে ধরার চেষ্টা চলছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গত ২ অক্টোবর দুপুরে নগরীর রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় রাজিব পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে চালকসহ সাতজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একটি শিশু।
নিহতরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)। একই জেলার বীর গোবিন্দপুর গ্রামের সিএনজিচালক সুজন আলী (৪৪), বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তার স্ত্রী মমতা বেগমও (৩৯) নিহত হন।
ওই দিন সন্ধ্যায় মোফাজ্জলের ভাই মো. মোবারক আলী বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বাসচালককে আসামি করা হয়। রাত ১২টার পর সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় মোবারক আলী পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়েছেন।





