অনিরুদ্ধ রবিচন্দর ও কাব্য মারানের বিয়ে: ২১ নভেম্বর চেন্নাইয়ে সংবর্ধনা
অনিরুদ্ধ রবিচন্দর ও কাব্য মারানের বিয়ের সংবর্ধনা ২১ নভেম্বর চেন্নাইয়ে হবে বলে জানিয়েছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়। ১৭ অক্টোবর কালানিধি মারান ও কাবেরী মারান মুখ্যমন্ত্রী এ রেভন্ত রেড্ডিকে সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানান। বিয়ে ১১ নভেম্বর গ্রিসে হতে পারে বলে খবর আছে। এর আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনো নেই। কালানিধি মারানের সম্পদের হিসাব তাঁর ব্যক্তিগত অনুমানভিত্তিক সম্পদ, কাব্যর নয়।#AnirudhRavichander #KavyaMaran #SunrisersHyderabad #TamilCinema #MeehaNews

দক্ষিণ ভারতের সংগীত পরিচালক অনিরুদ্ধ রবিচন্দর ও সান টিভি নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক কাব্য মারানের বিয়ের সংবর্ধনা ২১ নভেম্বর চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। কাব্য আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সিইও।
১৭ অক্টোবর কাব্যর বাবা সান গ্রুপের চেয়ারম্যান কালানিধি মারান ও মা কাবেরী মারান হায়দরাবাদের জুবিলি হিলসে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেভন্ত রেড্ডির বাসভবনে যান। মেয়ের বিয়ের সংবর্ধনায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোই ছিল উদ্দেশ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় সাক্ষাতের ছবি ও ভিডিও এক্স-এ প্রকাশ করে এবং সংবর্ধনার তারিখ জানায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মূল বিয়ের অনুষ্ঠান ১১ নভেম্বর গ্রিসে হওয়ার কথা। তবে বিয়ের স্থান ও তারিখ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
কাব্য মারান কালানিধি মারানের মেয়ে। কালানিধি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সান টিভি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। এই গোষ্ঠীর ব্যবসা টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট খাতে বিস্তৃত। ২০১২ সালে ডেকান চার্জার্সের মালিকানা নিয়ে সান গ্রুপ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ গড়ে তোলে। ভারতের সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, কাব্য চেন্নাইয়ের স্টেলা মারিস কলেজে পড়েছেন। এরপর যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ করেছেন। নিলামসহ দল পরিচালনার সিদ্ধান্তে তাঁকে নিয়মিত দেখা যায়।
পারিবারিক সম্পদ নিয়ে আলোচনাও হচ্ছে। ফোর্বসের হিসাবে ২০২৫ সালের মার্চে কালানিধি মারানের সম্পদ ছিল প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। এটি তাঁর আনুমানিক ব্যক্তিগত সম্পদ। একে কাব্যর নিজস্ব সম্পদ বলা যাবে না। কাব্যর ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়ে প্রকাশিত হিসাবগুলো অনুমানভিত্তিক, নিরীক্ষিত তথ্য নয়।
অনিরুদ্ধ রবিচন্দর ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া তামিল সিনেমা ‘থ্রি’-এর ‘হোয়াই দিস কোলাভেরি ডি’ গানে আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান। গানটি গেয়েছিলেন ধানুশ। পরে ‘কাইথি’, ‘বেদালাম’, ‘মাস্টার’, ‘বিক্রম’, ‘জেলার’ ও ‘জওয়ান’-এর মতো সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করেছেন। তেলেগু ও হিন্দি সিনেমাতেও তাঁর কাজের পরিধি বেড়েছে।





