সাভারে বর্জ্য সরিয়ে গড়া প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ, বললেন সদিচ্ছা থাকলে জায়গা বদলানো যায়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার সাভারের আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করেছেন। প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকায় ১০ হাজার টন বর্জ্য সরানো হয়েছে এবং ৬ হাজার ১৩০টি গাছ লাগানো হয়েছে। সাভার উপজেলা পরিষদ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে; আনুমানিক ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইচ্ছা ও পরিকল্পনা থাকলে একটি জায়গা মানুষের ভালোর জন্য বদলানো যায়। #Savar #PrimeMinister #TreePlantation #WasteManagement #MeehaNews

সাভারের আমিনবাজারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বর্জ্যের স্তূপ সরিয়ে গড়ে তোলা প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকাল পৌনে ১২টার দিকে তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে সকালে তিনি সাভার সেনানিবাসে ‘জাতীয় মান’ পুরস্কার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ফেরার পথে প্রকল্প এলাকায় থামেন।
প্রধানমন্ত্রী কাজের অগ্রগতি দেখেন এবং প্রায় দুই মাস আগের অবস্থার সঙ্গে বর্তমান চেহারার তুলনা করেন। সড়কের দুই পাশে গাছ লাগিয়ে তিনি কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের তিনি এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে সহযোগিতার আহ্বান জানান। প্রথম আলো তাঁর বক্তব্যের অংশ হিসেবে লিখেছে, ‘যদি পরিকল্পনা থাকে, যদি সদিচ্ছা থাকে’ তাহলে একটি জায়গা মানুষের ভালোর জন্য বদলানো যায়। সরকার জায়গাটিকে সুন্দর করে গড়ে তুলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকল্পের আওতায় প্রায় চার কিলোমিটার এলাকা কাজ হয়েছে। ১০ হাজার টন বর্জ্য সরানো হয়েছে। ৮ হাজার ৮০০ বর্গমিটার জায়গা মাটি দিয়ে ও একই পরিমাণ জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। নিম, সুপারি, পাম, মাধবীলতা ও রঙ্গনসহ ৬ হাজার ১৩০টি গাছ লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া একটি করে ১ কিলোওয়াটের দুটি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ১ কিলোওয়াটের একটি পরীক্ষামূলক বায়ুকল (উইন্ড টারবাইন), ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি ও ২০টি সারফেস ড্রেন বসানো হয়েছে। আনুমানিক ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ কাজটি বাস্তবায়ন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চার কিলোমিটারের বাইরে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আওতাধীন এলাকায় কলকারখানার মালিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলার স্থানের পরিচালকদের সঙ্গে সরকারের আলোচনা করা উচিত।
এই স্থানে বর্জ্য অপসারণের শুরুটা জুলাইয়ে। ১১ জুলাই টিবিএস বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, চার দিন আগে সিংগাইরে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া দেখতে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কের পাশের বর্জ্যের স্তূপ দেখে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথ সভায় পরিচ্ছন্নতার সিদ্ধান্ত নেয়। সেদিন স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এলাকা পরিদর্শন করেন। তখন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছিলেন, প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীর ‘ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করার’ উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।





