আটকের পর আঘাতের দাগ দেখালেন আমির খানের স্বজন জেইন মেরি
১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আটক হন জেইন মেরি, ইমরান খান ও লেখা ওয়াশিংটন। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জেইন ইনস্টাগ্রামের ভিডিওতে হাত, আঙুল ও পায়ের আঘাতের দাগ দেখিয়েছেন। ইমরান বলেছেন, আটকের কারণ তিনি বুঝতে পারেননি। বিক্ষোভের দাবি ছিল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে প্রতিকার। পুলিশের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই আটক করা হয়েছিল। #ZaynMarieKhan #ImranKhan #CockroachJanataParty #Mumbai #MeehaNews

মুম্বাইয়ে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর শরীরে আঘাতের দাগের ভিডিও প্রকাশ করেছেন অভিনেতা আমির খানের স্বজন জেইন মেরি। ছাড়া পাওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ভিডিওতে তাঁর হাত, আঙুল ও পায়ে দাগ দেখা গেছে।
জেইন ভিডিওতে বলেছেন, মানুষকে এমন ভয় দেখানো ঠিক নয়, যাতে ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে। আঘাতের দাগ কীভাবে হয়েছে, মুম্বাই পুলিশ এ বিষয়ে কিছু জানিয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ নেই।
শনিবার (১০ অক্টোবর) মুম্বাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে গিয়েছিলেন জেইন। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ইমরান খান ও অভিনেত্রী লেখা ওয়াশিংটন। পুলিশ তাঁদের আটক করে, কয়েক ঘণ্টা পর ছেড়ে দেয়। ইমরান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, কেন আটক করা হয়েছে তা তিনি বুঝতে পারেননি। তাঁদের রাস্তা থেকে ভ্যানে তোলা হয়, প্রায় দুই ঘণ্টা ঘুরিয়ে একটি অজ্ঞাত স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও ভোটাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে এই বিক্ষোভ ডাকা হয়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনেকের নাম বাদ পড়া এবং তালিকায় কারসাজির অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার পথে তাঁকেও আটক করা হয় এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ বলেছে, বোম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগস্ট ক্রান্তি ময়দান বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। তাই আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাইয়ে চার শতাধিক মানুষকে আটক করা হয়। রাইজিংবিডির তথ্যমতে, দক্ষিণ মুম্বাইর গামদেবী থানায় ইমরান খানসহ বিক্ষোভকারীদের আসামি করে মামলা হয়েছে।
দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ও তাঁর দুই সহযোগী সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়। ওই আন্দোলন ঘিরে বিরোধী রাজনীতিক, সাংবাদিক ও আইনজীবীসহ দুই হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।





