নানা পাটেকরের মৃত্যু নিয়ে তনুশ্রী দত্তের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোয়ায় নিজের বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে মারা যান নানা পাটেকর। মৃত্যুর খবর শোনার পর তনুশ্রী দত্ত ‘শয়তানের মৃত্যু হলো’ মন্তব্য করেছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। ২০১৯ সালে পুলিশ পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে নানা পাটেকরকে অব্যাহতি দেয়। তিনি সব…

বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্তের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অতীতে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছিলেন তনুশ্রী। অভিনেতার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি বলেছেন, ‘শয়তানের মৃত্যু হলো’। নানা পাটেকরের নাম সরাসরি নেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ার ডোনা পাওলায় নিজের বাসভবনে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় নানা পাটেকরকে। হাসপাতালে প্রায় ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়ার পরও সাড়া মেলেনি। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৫ বছর।
যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌয়ে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে খবরটি পান তনুশ্রী। তিনি বলেন, যিনি চলে গেছেন, তিনি চলে গেছেন। তবে অনুষ্ঠানের দিনেই এই মৃত্যু তাঁর কাছে অদ্ভুত লেগেছে। বাংলা ট্রিবিউন জানিয়েছে, তনুশ্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।
২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির একটি গানের শুটিংয়ে নানা পাটেকর তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন তনুশ্রী। ২০১৮ সালে ওই অভিযোগ আবার সামনে এলে ভারতে ‘মিটু’ আন্দোলন জোরালো হয়। নানা পাটেকর সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং তনুশ্রীকে আইনি নোটিশ পাঠান। ২০১৯ সালে মুম্বাই পুলিশ তাঁকে অব্যাহতি দেয়।
ওই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট ছিলেন না তনুশ্রী। তাঁর দাবি, নানা পাটেকর মামলা জোর করে বন্ধ করিয়েছিলেন, তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হননি। তনুশ্রীর ভাষ্য, মামলা তুলে নিতে তাঁকে চাপ ও ঘুসের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রধান সাক্ষী ছিলেন তাঁর মেকআপ আর্টিস্ট। সাক্ষ্য জমা দেওয়ার দিনই বিচারক মামলাটি বন্ধ করে দেন বলে দাবি করেন তিনি। ওই সাক্ষীকে রাজি করাতে পাঁচ বছর লেগেছিল এবং তাঁর পরিবার হুমকি পেত বলেও জানান তনুশ্রী। এসব দাবির বিষয়ে নানা পাটেকরের পক্ষ থেকে নতুন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




