‘ভায়োলেন্স’ ছাড়লেন অধরা খান, পরিচালকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ
অভিনেত্রী অধরা খান কানাডায় নির্মিতব্য সিনেমা ‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার ফেসবুক পোস্টে তিনি পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের অপেশাদার আচরণ ও যোগাযোগের অভাবের অভিযোগ করেন। অধরার দাবি, সিনেমাটির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে তিনি হলিউডসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ নিতে পারেননি। এসব দাবি স্বাধীনভাবে…

কানাডায় নির্মিতব্য বাংলা সিনেমা ‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেত্রী অধরা খান। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে ফেসবুক পোস্টে তিনি পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণ ও যোগাযোগের অভাবের অভিযোগ তুলেছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোস্টে তিনি লিখেছেন, পরিচালকের আচরণ ও যথাযথ যোগাযোগের অভাবে তিনি অনেক আগেই সিনেমাটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাবরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সাড়া মেলেনি। প্রযোজক বা সিনেমাটির অন্য কারও বক্তব্য প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সিনেমাটিতে অধরার চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে গত আগস্টের শেষ দিকে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডার টরন্টোতে এর মহরত হয়। কানাডার প্রযোজক সাবরিনা চৌধুরীর প্রযোজনায় এ সিনেমায় অভিনয়ের তালিকায় আছেন জায়েদ খান ও শিরিন শিলা।
অধরার ভাষ্য, সিনেমাটির কারণে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ তিনি নিতে পারেননি। চুক্তির গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা থাকায় সেসব কাজের বিস্তারিত তিনি জানাতে পারছেন না। তাঁর দাবি, অন্য কাজের সময়সূচি ও পেশাগত প্রতিশ্রুতি তিনি রাখতে পারেননি, ফলে নিজের কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকে সতর্কবার্তাও পেয়েছেন। শুটিং শুরুর মাত্র এক দিন আগে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অধরা অভিযোগ করেছেন। এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
এ অভিজ্ঞতাকে অধরা ক্যারিয়ারের বড় শিক্ষা হিসেবে দেখছেন। পেশাদারত্ব, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মান ভালোভাবে বিবেচনা না করে সিনেমাটিতে যুক্ত হওয়াকে তিনি নিজের বড় ভুল বলে মনে করছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, কাউকে ছোট করা বা সিনেমার ক্ষতি করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়; ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতেই তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। আমার সময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এত দিন তিনি নীরব ছিলেন, কারণ তাঁর বক্তব্য সিনেমাটির চলমান শুটিংকে প্রভাবিত করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল।




