মানিকগঞ্জে হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার নামে আড়াই লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে চাকরির আশ্বাসে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এনসিপির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মো. তমালের অভিযোগ, হাসপাতালে যোগ দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো নিয়োগ হয়নি। আরিফুল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটি ভিত্তিহীন; তদন্তে সত্য বেরিয়ে আসবে। অভিযোগ অপ্রমাণিত; একটি সূত্রমতে পুলিশ লিখিত অভিযোগের তদন্ত করছে।#Manikganj #NCP #JobFraud #Bangladesh #MeehaNews

মানিকগঞ্জে হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক যুবকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম দলটির মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ভুক্তভোগী তরুণের নাম মো. তমাল। তিনি মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে (চুক্তিভিত্তিক) সুপারভাইজার পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জামানত হিসেবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন আরিফুল। বিনিময়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল প্যাডে একটি নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।
ওই নিয়োগপত্র নিয়ে হাসপাতালে যোগ দিতে গিয়ে তমাল জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো নিয়োগ হয়নি। টাকা ফেরত চাইলে আরিফুল নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন; একপর্যায়ে জানান, চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। আজকের পত্রিকা ও যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরপরও টাকা চাইতে গেলে তমালকে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়। যুগান্তরের তথ্যমতে, ২৪ অক্টোবর মোবাইল ফোনে টাকা ফেরত চাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগের বিবরণে বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে আউটসোর্সিংয়ে জনবল সরবরাহের কাজ পেয়েছে কেএসএফ ট্রেড লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির মানিকগঞ্জ জেলার দায়িত্বে আছেন আরিফুল। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযুক্তের বক্তব্য
আজকের পত্রিকাকে আরিফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন; তদন্তে ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসবে। যুগান্তরকে তিনি দাবি করেন, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে ষড়যন্ত্র করে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। বার্তাবাজারের প্রতিবেদনে আরিফুলের বাবা ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের বক্তব্য আছে। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে চাকরি দেওয়ার মতো কোনো পদে নেই এবং এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।
পুলিশ ও আইনি পদক্ষেপ
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ লিখিত অভিযোগের তদন্ত করছে। যুগান্তরের তথ্যে, আরিফুল মানিকগঞ্জ সদর থানা আমলি আদালতে মানহানির মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন। জুমবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশের জেরে ওই অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক ও প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার মামলা হয়েছে; মামলার বিস্তারিত স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়।





