বন্দরে অটোরিকশা স্ট্যান্ড নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
নারায়ণগঞ্জের বন্দর খেয়াঘাট সংলগ্ন অটোরিকশা স্ট্যান্ডে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে দুই পক্ষের চালকদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাঁদের বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুই পক্ষই থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। নাগরিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্র প্রদর্শন ও হত্যার হুমকির অভিযোগও এসেছে। পুলিশ উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।#Bandar #Narayanganj #AutoRickshaw #MeehaNews

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অটোরিকশার স্ট্যান্ড নিয়ে দুই পক্ষের চালকদের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বন্দর খেয়াঘাট সংলগ্ন স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে।
যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন চালক এসে অপর পক্ষের চালকদের ওই স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী তুলতে বাধা দেন এবং নিষেধ করেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহত ব্যক্তিরা সবাই অটোরিকশাচালক। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে আহত হিসেবে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁরা হলেন বিল্লাল হোসেন (২৩), সিয়াম (১৯), আজিম (৩৫), রুবেল (৪৮), আলী (৪৫), সোহাগ (২৫), ইয়াসিন (২৮), মাকসুদা বেগম (৩৫), জুনায়েদ (২৫), শাহিদুল ইসলাম শাহিন (৪০), সাগর (৩০), পাপ্পু (৩০), নাজমুল (২২) ও লিংকন (৩৩)। তাঁদের বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। চালকেরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নাগরিক-এর প্রতিবেদনে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কথা এসেছে। প্রথম অভিযোগকারী চালক রুবেল (৩২) দাবি করেন, সকাল ১১টার দিকে নবীগঞ্জ স্ট্যান্ডের এক অজ্ঞাত চালক সড়ক আটকে অটোরিকশা রেখেছিলেন। তিনি নিষেধ করলে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সেলিম ভাঙ্গারি (৪৫), রিংকন (২৫) ও আরও ২০-২৫ জন তাঁকে মারধর করেন বলে রুবেলের অভিযোগ।
অন্য পক্ষের সেলিম (৫০) অভিযোগ করেন, সকাল ৯টার দিকে তাঁর ভাতিজা জোনাক (৩৫) সিএনজি নিয়ে বন্দর ঘাটে যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন। তখন অজিতসহ কয়েকজন তাঁকে স্ট্যান্ড ছেড়ে যেতে বলেন। এ নিয়ে সংঘাতে তিনিও মারধরের শিকার হন বলে সেলিমের দাবি। উভয় পক্ষ থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগে অস্ত্র প্রদর্শন ও হত্যার হুমকির কথাও বলা হয়েছে। এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়।





