মূল কনটেন্টে যান
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬২৩ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার ৮ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

মোদি সরকারের পতন হবে আগামী লোকসভা নির্বাচনে, অভিজিৎ দীপকে

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে কেরালার কোচির সমাবেশে বলেছেন, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে। সমাবেশটি ছিল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে। দীপকের অভিযোগ, সরকার এসআইআরকে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতে ব্যবহার করছে। এ অভিযোগ প্রমাণিত নয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে জন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাঁকে ও দুই সহকর্মীকে আটক করা হয়েছিল। আটকের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ভাষ্য ও অন্য প্রতিবেদনে পার্থক্য আছে।#Kochi #CockroachJantaParty #India #SIR #MeehaNews

কোচির রাজেন্দ্র ময়দানে সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে
অভিজিৎ দীপকে। ছীব সংগৃহীত

২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (৭ নভেম্বর) কেরালার কোচির রাজেন্দ্র ময়দানে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি দেশবাসীকে কেন্দ্রীয় সরকারে পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানান।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওই সমাবেশ হয়। দীপকে বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল সরকার বদলানো সম্ভব। তিনি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁর অভিযোগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রক্ষা করতে সরকার তরুণ প্রজন্মের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। জ্ঞানেশ কুমার কেন সরকারের কাছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

দীপকের দাবি, প্রথমে সরকার মানুষের খাদ্যাভ্যাস, এরপর বিয়ে ও ভালোবাসার স্বাধীনতা এবং এখন ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতেই এসআইআরকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ বা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে নেই।

গত মাসে জন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া জ্ঞানেশ কুমারবিরোধী প্রতিবাদের চেষ্টা করায় দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে দিল্লি পুলিশ আটক করেছিল বলে আউটলুক ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কোচির সমাবেশে দীপকে জাতীয় পতাকা তুলে ধরার কারণে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেন এবং বলেন, এমন ঘটনা ভারতে সর্বশেষ ব্রিটিশ শাসনামলে ঘটেছিল। তাঁর ভাষ্য, “আমাকে গ্রেপ্তার করতে চাইলে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে করুন, আমি আবার ফিরে এসে পতাকা উঁচিয়ে ধরব।”

তিনি আরও বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে দেশ অনেকটা নীরব ছিল, জন্তর মন্তরের কর্মসূচি মানুষকে আবার প্রতিবাদের সাহস দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার তরুণ প্রতিবাদকারীদের দমন করছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মীয় বিভাজন ও দাঙ্গা উসকে দিচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আউটলুক জানায়, সমাবেশটি “জন্তর মন্তর অ্যাট কোচি” নামে বিকেল ৪টা থেকে হয়। দীপকের সঙ্গে দলের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান বিজয় মাল্লাঙ্গি ও জাতীয় সম্পাদক আফরিন নওয়াজের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সমাবেশে বিভিন্ন বয়সী বিপুল মানুষ, যুব ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়।

ইউএনবিতে উদ্ধৃত এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, সিজেপি এ বছরের ১৬ মে অভিজিৎ দীপকের চালু করা একটি ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল আন্দোলন। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত দল নয়।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

আন্তর্জাতিক ডেক্স

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।