ইরানে নতুন হামলার বিবেচনার মধ্যে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকালে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ফোনে কথা বলেন। তখন ওয়াশিংটন ইরানে নতুন হামলা বিবেচনা করছিল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেননি এবং কূটনৈতিক সমাধান চান। ট্রাম্প জানান, ইরানের আরও এক বা দুটি স্থাপনার ব্যবস্থা ১০ মিনিটে করা সম্ভব। তিনি পিকঅ্যাক্স পর্বতের কথাও বলেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যেকোনো হামলার জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।#Iran #Trump #Netanyahu #MeehaNews

ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার বিষয়টি বিবেচনার মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে দুই নেতার এ আলাপ হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। ফোনালাপ সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের বরাত দিয়েছে পত্রিকাটি।
পত্রিকাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফোনালাপের আগে চলতি সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরুর বিকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমন কথা অবশ্য বলেননি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি জানান, নতুন হামলা চালানো হবে কি না, ট্রাম্প তা ঠিক করেননি। কূটনৈতিক সমাধানই তাঁর পছন্দ। সামরিকভাবেও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম বলে মনে করেন রুবিও।
শনিবার ফ্লোরিডার পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প ইরানের আরও এক বা দুটি স্থাপনা ধ্বংসের কথা বলেন। তাঁর ভাষ্য, ‘আমাদের এখনো এক বা দুটি স্থাপনার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে ১০ মিনিটের মধ্যেই তা করা সম্ভব।’ পিকঅ্যাক্স পর্বতের (Pickaxe Mountain) প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেটিরও ব্যবস্থা করতে হবে। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ধারণা, ওই এলাকায় পারমাণবিক উপাদান মজুত থাকতে পারে। চলমান যুদ্ধে এখনো সেখানে হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র।
একই সময়ে আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তাঁর কথায়, ইরান চুক্তি করতে চায়, তবে তারা নির্ভরযোগ্য নয়। চুক্তিতে পৌঁছানোর পরও সেখান থেকে সরে আসে।
ইরানের দিক থেকে কূটনৈতিক ও সামরিক, দুই ধরনের বার্তাই এসেছে। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, ওয়াশিংটনের পাঠানো চিঠি তেহরান পড়ে দেখেছে। আলোচনা শুরুর ওই উদ্যোগকে তিনি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ বলেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি সূত্র বলছে, চিঠিতে নির্দিষ্ট শান্তিশর্তের বদলে আলোচনার একটি কাঠামোর কথা আছে। আবার ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সেনাবাহিনী, ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে ভৌগোলিক সীমা ছাড়াই পাল্টা জবাবের নির্দেশ দিয়েছেন।
টাইমস অব ইসরায়েলের উদ্ধৃত এমএসএনওর (MSNOW) প্রতিবেদনে তিনজন গালফ কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরদিন, অর্থাৎ ৪ নভেম্বর থেকে নতুন দফার হামলা হতে পারে বলে উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। এ তথ্য মার্কিন বা অন্য কোনো সরকারি সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়নি।





