ইরানে রোববার হামলা হবে না: ট্রাম্প
মিশিগানে নির্বাচনি প্রচারে যাওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, রোববার ইরানে কোনো হামলা হবে না। বিরতি কত দিনের, তা তিনি জানাননি। শনিবার তিনি হামলার সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। রোববার ফক্স নিউজকে বলেন, ইরানের সামনে এখন পথ দুটি: চুক্তি, অথবা পুরোপুরি নির্মূল। ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে। ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে হামলা না করার কথা তিনি আগেও বলেছিলেন।#Trump #Iran #StraitOfHormuz #USIranWar #MeehaNews

ইরানে রোববার কোনো হামলা হবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিরতি কত দিন চলবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
মিশিগানে নির্বাচনি প্রচারণায় যাওয়ার জন্য রোববার হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকেরা জানতে চান, হামলা কি আজই আবার শুরু হতে পারে। জবাবে ট্রাম্প প্রথমে পাল্টা প্রশ্ন করেন, তিনি কি সেটা বলবেন। এরপর বলেন, উত্তর ‘না’, আজ কোনো হামলা হবে না।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ট্রাম্প উল্টো কথা বলেছিলেন। তখন তিনি জানান, হামলার কথা ভাবা হচ্ছে এবং তা রোববারই হতে পারে। আবার তেহরানের সঙ্গে চুক্তিতেও পৌঁছাতে পারে ওয়াশিংটন। ইরান প্রতিশ্রুতি রাখবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেন তিনি।
যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার দিনের প্রথম ভাগে ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, এখন প্রশ্ন একটাই: ইরানের সঙ্গে চুক্তি হবে, নাকি দেশটিকে পুরোপুরি নির্মূল করা হবে। একই সাক্ষাৎকারে তিনি পারস্য উপসাগরে মার্কিন বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এবং ইরান সেখান থেকে কিছুই পাচ্ছে না। ট্রাম্পের এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
বাংলাদেশ টাইমসের তথ্যমতে, ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানও নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। দেশটি বলেছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের বেসামরিক স্থাপনাসহ সবকিছুতে হামলা চালানো হবে। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজনার মধ্যে আরব দেশগুলো থেকে মার্কিন কূটনীতিক ও সামরিক সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার খবরও এসেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মানজামিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানের নাম এপিক ফিউরি (Epic Fury)। পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তা টেকেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন ৩ নভেম্বর। ট্রাম্প এর আগেই বলেছিলেন, নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা হবে না। তবু শনিবার নতুন হামলার ইঙ্গিত দেওয়ায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।





