ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ইরানে আজ হামলা হতে পারে
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে হামলার কথা ভাবছেন তিনি, ‘সম্ভবত আগামীকালই’। বড় কোনো চুক্তি হলে হামলা এড়ানো যাবে, তবে ইরান তা মানবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যুদ্ধের আগের চেয়ে বেড়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি, তবে কোনো পরিসংখ্যান দেননি। ৮ অক্টোবর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা হবে না।#Trump #Iran #MiddleEast #MeehaNews

ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর কথা ভাবছেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা এটা করার কথা ভাবছি, এবং সম্ভবত আগামীকালই।’ একই সঙ্গে জানান, বড় কোনো চুক্তি হলে সামরিক অভিযান এড়ানো যাবে।
হামলা কতটা এগিয়েছে, জানতে চাইলে ট্রাম্প পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘তুমি কি সত্যিই ভাবো, আমি এটা করলে তোমাকে জানাব?’ সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে, নাকি সমঝোতা হবে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করেননি তিনি। বলেন, ‘আমাকে হয়তো এটা শেষ করতে হবে, অথবা ওরা চুক্তি করবে। তবে আমি নিশ্চিত নই। যেভাবেই হোক, আমরাই জিতব।’
ইরান চুক্তি করতে চায় বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তবে প্রশ্ন তুলেছেন, তেহরান তা মানবে কি না। তাঁর ভাষ্য, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই লক্ষ্য। আগের বি-২ বোমারু বিমানের অভিযান এ লক্ষ্য স্থায়ীভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে এটা স্থায়ী করতেই হবে।’
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বেড়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে তিনি কোনো পরিসংখ্যান দেননি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এসেছে অক্টোবরের শুরুর একটি ঘোষণার পর। ৮ অক্টোবর ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে এবং ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাবে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করেছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি, দ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী। এরপর যুদ্ধবিরতি হয়েছে এবং শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত করার বিষয়ে সমঝোতাও হয়েছে। কিন্তু সংকটের স্থায়ী সমাধান এখনো হয়নি।





