টেকনাফে সীমান্তসংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুজন আটক, উদ্ধার ৫ রামদা
মঙ্গলবার রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নে সীমান্তসংলগ্ন ধানক্ষেতে অভিযান চালিয়ে আবছার উদ্দীন (১৯) ও আদিলকে (২৬) আটক করে এসআরবি-১৫। অভিযানে ১১ লাখ পিস ইয়াবা ও দেশীয় তৈরি পাঁচটি বড় রামদা জব্দ করা হয়। এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, ৯-১০ জনের একটি দল সেখানে ছিল। বাকিরা পালিয়ে যান। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১৫–এর কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানানো হয়।#Teknaf #CoxsBazar #Yaba #SRB #MeehaNews

কক্সবাজারের টেকনাফে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় পাঁচটি দেশীয় তৈরি বড় রামদাও জব্দ করা হয়। এসআরবি আটক দুজনকে মাদক কারবারি বলছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১৫–এর কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। আটক দুজন হলেন হ্নীলা ইউনিয়নের নাইখংখালী এলাকার সলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আবছার উদ্দীন (১৯) এবং মৌলভীবাজার এলাকার ছলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আদিল (২৬)।
এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি দল মঙ্গলবার রাতে হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার আঠারো ঘরপাড়া এলাকার সীমান্তসংলগ্ন ধানক্ষেতে অবস্থান নেয়। সেখানে ৯-১০ জন সন্দেহভাজনের গতিবিধি লক্ষ করে অভিযান চালানো হয়। দুজনকে আটক করা গেলেও অন্যরা পালিয়ে যান বলে অভিযান-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১১ লাখ পিস ইয়াবা ও পাঁচটি রামদা পাওয়া যায়।
ব্রিফিংয়ে এসআরবি-১৫–এর সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক বলেন, সীমান্তবর্তী টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। তাঁর ভাষ্য, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্র ইয়াবাসহ নানা মাদক দেশে পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে প্রায়ই বড় চালান উদ্ধার হচ্ছে।





