মূল কনটেন্টে যান
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

যুবদল নেতা সাকেরকে খুনের পেছনে ডাকাতির সোনার ভাগ নিয়ে বিরোধ, দাবি পুলিশের

পুলিশ সুপারের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকাতির ১৫০ ভরি সোনার ভাগ নিয়ে বিরোধের জেরে পৌর যুবদল নেতা সাকের হোসেন খুন হন। পুলিশের দাবি, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন হত্যার জন্য জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদের ব্যাংক হিসাবে ২০ লাখ টাকা পাঠান। ডাকাতি ও হত্যা, দুই মামলায় মোট ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। উদ্ধার হয়েছে মোট ৬১ ভরি ৬ আনা সোনা। গ্রেপ্তার সবাই অভিযুক্ত মাত্র। অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।#Magura #JuboDal #GoldRobbery #MurderCase #MeehaNews

মাগুরা পুলিশ লাইনসে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন
অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গোলাম জাহিদ (বামে) ও মারুফ হোসেনছবি: জাগো নিউজ

মাগুরায় লুট হওয়া ১৫০ ভরি সোনার ভাগ নিয়ে বিরোধের জেরে পৌর যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইনসে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এ তথ্য দেন। হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে গ্রেপ্তার মারুফ হোসেনের নাম উল্লেখ করেছে পুলিশ। মারুফ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।

পুলিশ সুপারের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকাতির পর সোনা মারুফ নিজের কাছে রাখেন। সাকের বারবার নিজের ভাগ দাবি করলে বিরোধ বাড়ে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ দুই পক্ষকে নিয়ে বসেন। সেখানে সাকেরকে পাঁচ লাখ টাকা দিতে বলা হয় মারুফকে। মারুফ টাকা দিলেও সাকের সন্তুষ্ট হননি, সোনার ভাগের দাবি চালিয়ে যান। পুলিশ সুপার বলেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মারুফ গোলাম জাহিদকে সাকেরকে “দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার” কথা বলেন। এরপর হত্যার জন্য জাহিদের যমুনা ব্যাংক হিসাবে ২০ লাখ টাকা পাঠান তিনি। এরপরই সাকের খুন হন বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডাকাতির ঘটনা ঘটে ৬ অক্টোবর দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে। মাগুরা সদরের রামনগর বাজার এলাকায় গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাসে পুলিশ পরিচয়ে ওঠে ১২-১৫ জনের একটি দল। তারা সোনা ব্যবসায়ী মজিবর রহমানকে নামিয়ে হলিনগর গ্রামের নিখিল মাস্টারের মেহগনিবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে ভয় দেখিয়ে ও মারধর করে তাঁর কাছ থেকে ১৫০ ভরি সোনা ও নগদ ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। লুট হওয়া সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য দুই কোটি ৯০ লাখ টাকা।

২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে মোটরসাইকেলে এসে সাকেরের (৩৬) মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। নিহতের স্ত্রী শারমিনাহার রুমা মাগুরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন হলেন জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), ফরিদ মণ্ডল (৫৯), মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফা আক্তার (৩২), গোলাম জাহিদ (৪৫) ও মারুফ হোসেন (৪৪)। তাঁদের কাছ থেকে ৯ ভরি ৭ আনা ৫ রতি ওজনের সোনার বার, ডাকাতিতে ব্যবহৃত ইয়ামাহা এক্সএসআর ও পালসার মোটরসাইকেল এবং একটি টয়োটা ভিটজ গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), মারুফ হোসেন, গোলাম জাহিদ ও বশির আলী (৩৫)। এই মামলায় বুলেট ও খালি কার্তুজসহ আলামত উদ্ধার হয়েছে। মারুফ ও জাহিদ দুই মামলাতেই আসামি, তাই মোট গ্রেপ্তার ১১ জন। দুই মামলায় মোট ৬১ ভরি ৬ আনা সোনা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর গোলাম জাহিদ ও মারুফ হোসেন স্বেচ্ছাসেবক দলের পদ হারিয়েছেন। আজকের পত্রিকার তথ্যমতে, গ্রেপ্তার অনিমেষ মজুমদার ঝিনাইদহ শহরের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিক।

পুলিশ দুই মামলার তদন্তে ডাকাতি ও হত্যার মধ্যে যোগসূত্র পাওয়ার কথা বলছে। এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।