ময়মনসিংহে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, পাঁচজনই কারাগারে
ময়মনসিংহ নগরীর সেওড়া মুন্সিবাড়িতে ডিবির অভিযানে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার; আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ টাকা। গ্রেপ্তারদের একজন দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (৩০)। ডিবির এসআই রিপন উদ্দিন কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। আদালত পাঁচজনকেই কারাগারে পাঠিয়েছেন; ছাত্রদল জানিয়েছে, মনিরুলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।#Mymensingh #YabaRecovered #ChhatraDal #MeehaNews

ময়মনসিংহ নগরীতে ১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবাসহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উদ্ধার ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা।
পুলিশ জানায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত একটার দিকে নগরীর সেওড়া মুন্সিবাড়ি এলাকার উজ্জল মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদে ডিবি জানতে পারে, সেখানে কয়েকজন ইয়াবা কেনাবেচার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে সাক্ষীদের সামনে দেহ তল্লাশি করে ইয়াবা উদ্ধার হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন চর ঘাগড়া গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩০), ত্রিশাল থানার শফিকুলের ছেলে শাকির হোসেন (২৫), মধ্য বাড়েরা এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে জাকিরুল ইসলাম (৩২), ঘাগড়া ইউনিয়নের আব্দুল সাত্তারের ছেলে সজীব মিয়া (২০) এবং সারদা ঘোষ রোড এলাকার সুধীর চন্দ্র সিংয়ের ছেলে উৎসব সিং সাগর (২৮)।
ঘটনায় ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রিপন উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুল হক বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছে বাংলা পোস্ট।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, মনিরুলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি তাঁরা শুনেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম বলেন, বিষয়টি কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে এবং ব্যক্তির অপরাধের দায় দল নেবে না। আদালতে অভিযোগ প্রমাণের আগে গ্রেপ্তারদের কেউ দোষী সাব্যস্ত হননি।





