মূল কনটেন্টে যান
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

পোস্তগোলা সেতু: এক্সপানশন জয়েন্টে সমস্যা, স্থায়ী সমাধান কবে?

প্রথম বুড়িগঙ্গা বা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১ (পোস্তগোলা সেতু) ঢাকার সঙ্গে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের সড়ক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। ২০২০ সালের ২৯ জুন বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজের ধাক্কায় সেতুর দুটি গার্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়; ২০২৪ সালে সওজ গার্ডার দুটির মেরামত ও রেট্রোফিটিং করে। লেখকের দাবি, সেতুর এক্সপানশন জয়েন্টে সমস্যা ও সড়কে খানাখন্দ আছে, ভারী যানবাহনের কম্পনে সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লেখকের মতে, স্থায়ী সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না; এ বিষয়ে সওজের বক্তব্য নেই। #PostogolaBridge #BurigangaBridge #Dhaka #Infrastructure #MeehaNews

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর পোস্তগোলা সেতুতে যানবাহনের সারি
বুড়িগঙ্গার ওপর পোস্তগোলা (প্রথম বুড়িগঙ্গা) সেতু। ফাইল ছবি

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর পোস্তগোলা সেতু (প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু বা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১) রাজধানীর সঙ্গে বরিশাল ও খুলনা বিভাগসহ দক্ষিণবঙ্গের সড়ক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। লেখকের তথ্য অনুযায়ী, এটি নদীটির প্রথম স্থায়ী সড়ক সেতু। এটি ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের শুরুতে। লেখকের হিসাবে পদ্মা সেতু হয়ে বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের ২১টি জেলায় যাতায়াতকারী দূরপাল্লার যানবাহন ও পণ্যবাহী ট্রাক মূলত এই সেতু ব্যবহার করে।

লেখকের তথ্যমতে, বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ উদ্যোগে চীনা অর্থায়ন ও প্রযুক্তিতে সেতুটি নির্মিত হয়। নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮০-এর দশকে, ১৯৮৯ সালে তা জনসাধারণের জন্য চালু হয়।

লেখক জানিয়েছেন, সেতুটির নকশাগত বা অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ৫০ থেকে ৭৫ বছর। ১৯৮৯ সালে চালুর পর প্রায় ৩৭ বছর পার হয়েছে। কাগজে-কলমে আয়ুষ্কাল দীর্ঘ ধরা হলেও অতিরিক্ত ওজনের যান, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের আগেই সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে বলে তাঁর মত। এ সেতু নিয়ে সরকারি কোনো ঝুঁকি-মূল্যায়ন প্রতিবেদন লেখায় উল্লেখ নেই।

২০২০ সালের ২৯ জুন বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের ধাক্কায় সেতুর একটি গার্ডার পুরোপুরি ও আরেকটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এ তথ্য আছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর গার্ডার দুটি মেরামত ও রেট্রোফিটিং (retrofitting) করে। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারী যান বন্ধ রেখে ৯ মার্চ সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। লেখকের ভাষ্য, সংস্কারে ‘মাইক্রো কংক্রিট’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।

লেখকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সেতুর দুটি স্প্যানের মাঝখানের ফাঁকা জোড়ায়, অর্থাৎ এক্সপানশন জয়েন্টে (expansion joint) সমস্যা আছে এবং সেতুর অনেক অংশে খানাখন্দ রয়েছে। ভারী যানবাহনের ওজন, গতি ও ধাক্কার কারণে সৃষ্ট কম্পনে সেতু দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তাঁর আশঙ্কা। সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন এলে মাঝেমধ্যে অস্থায়ী মেরামত করা হয়, কিন্তু স্থায়ী সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেছেন। এ দাবি যাচাইয়ের জন্য সওজের বক্তব্য প্রয়োজন।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

Meeha Desk

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

আজ

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।