ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, নিহত অন্তত ৫ পর্যটক
শনিবার সকালে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা পাঁচটি লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন; আমার দেশের প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে সাতটি লাশ উদ্ধারের তথ্য আছে। নিহতদের প্রাথমিকভাবে পর্যটক বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি। আগুনের কারণ জানা যায়নি; ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। #CoxsBazar #Inani #FireIncident #Bangladesh #MeehaNews

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লেগে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকালে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকার ওই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে তাঁদের পর্যটক বলে ধারণা করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দলন আচার্য যুগান্তরকে জানান, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে। আরও হতাহতের আশঙ্কা আছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সঠিক সংখ্যা জানতে সময় লাগবে।
আমার দেশ উখিয়া প্রতিনিধির বরাতে লিখেছে, ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিমন ঘোষ জানিয়েছেন, সকাল ১০টা পর্যন্ত সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। আরও কেউ নিখোঁজ আছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। আমার দেশের প্রতিবেদনে অন্তত পাঁচজন নিখোঁজ থাকার আশঙ্কার কথা আছে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। কয়েকটি সূত্রে সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কথা বলা হয়েছে। জামুনা টিভির তথ্য অনুযায়ী, উখিয়া ফায়ার স্টেশন সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে খবর পায়। স্টেশনটি রিসোর্ট থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে, তাই কর্মীদের পৌঁছাতে ৩০ মিনিটের বেশি লেগেছে। রিসোর্টের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ডেইলি সান লিখেছে, আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে বিস্তারিত জানায়নি। যুগান্তর জানিয়েছে, রিসোর্টের কর্মীরা আগুনের পর পালিয়ে গেছেন বলে শোনা গেছে।
আগুন কীভাবে লেগেছে এবং রিসোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন ছিল, তা এখনো জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন ডেইলি সানকে বলেন, “এই মুহূর্তে কতজন মারা গেছেন, তা বলতে পারছি না। আমরা এখানে কাজ করছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”





