টকশোতে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ: বাংলাদেশের মানুষ আঘাত পেয়ে থাকলে ক্ষমা চাই
ইটিভির টকশো ‘ফ্যাক্টচেক’-এ আলোচক ছিলেন রিপাবলিক বাংলার সাবেক উপস্থাপক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ও আব্দুন নূর তুষার। উপস্থাপক হারুন উর রশীদ। ময়ূখ বলেন, তাঁর কথায় বাংলাদেশের সচেতন মানুষ আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে ভুল তথ্য প্রচারের অভিযোগে ময়ূখ আগেও সমালোচিত হয়েছেন।#MayukhRanjanGhosh #Factcheck #BangladeshIndia #MediaNews #MeehaNews

ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, তবে শর্তসাপেক্ষে। তাঁর কথায় বাংলাদেশের সচেতন মানুষ আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইটিভির জনপ্রিয় টকশো ‘ফ্যাক্টচেক’-এ আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক হারুন উর রশীদ। ভারত রিপাবলিক বাংলার সাবেক সংবাদ উপস্থাপক ময়ূখের সঙ্গে আলোচক ছিলেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশ-ভারতের রাজনীতি ও সামাজিক নানা প্রসঙ্গ।
ময়ূখ বলেন, তুষার সুন্দরভাবে বলেছেন যে তিনি নিজের একটি বিশ্বাস, অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ থেকে লড়াই করছেন। তাঁর মতে, তুষারের মতো সচেতন মানুষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে এক পর্যায়ে তাঁর মনে হয়েছিল। এই বক্তব্যের অর্থ পাঠে পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। এরপর তিনি বলেন, ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের কথায় বাংলাদেশের সচেতন মানুষ যদি আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে ময়ূখ প্রায় আগে থেকেই সমালোচিত। বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা রুমর স্ক্যানার ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের ৪৯টি গণমাধ্যম বাংলাদেশ নিয়ে অন্তত ১৩টি মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, পাঁচটি, প্রচার করেছে রিপাবলিক বাংলা। প্রতিবেদনে ময়ূখের নাম আলাদাভাবে ছিল কি না, তা সূত্রে স্পষ্ট নয়। ময়ূখ এসব অভিযোগ আগে কীভাবে মোকাবিলা করেছেন, তাও এই সূত্রে জানা যায়নি।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়ূখ রিপাবলিক বাংলা ছেড়েছেন বলে নিজের ফেসবুক পেজে জানিয়েছিলেন।





