মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

খুলনার ডুমুরিয়ায় চায়ের দোকানে গুলি করে ইউনিয়ন বিএনপি নেতার ছেলেকে হত্যা

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা পৌনে ২টার দিকে ডুমুরিয়ার আমভিটা-রামকৃষ্ণপুর জোড়া বটতলায় চায়ের দোকানে গুলি করে তরিকুল ইসলাম শেখকে হত্যা করা হয়। তরিকুল ঘের ব্যবসায়ী এবং রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম শেখের ছেলে। পুলিশ হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত কারও গ্রেপ্তারের খবর নেই। কেএমপি ও জেলা পুলিশের হিসাবে চলতি বছর খুলনা মহানগর ও জেলায় প্রায় ১০ মাসে ৭৭ জন খুন হয়েছেন।#Khulna #Dumuria #BNP #Shooting #MeehaNews

খুলনার ডুমুরিয়ার আমভিটা-রামকৃষ্ণপুর জোড়া বটতলা এলাকায় ঘটনাস্থলে পুলিশ
গুলিতে নিহত তরিকুল ইসলাম শেখছবি: সংগৃহীত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় চায়ের দোকানে ঢুকে তরিকুল ইসলাম শেখ (৩৫) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা পৌনে ২টার দিকে আমভিটা-রামকৃষ্ণপুর জোড়া বটতলা এলাকায় গফফারের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

তরিকুল ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম শেখের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে দোকানে ঢোকেন। কিছুক্ষণ কথা বলার পর তাঁরা তরিকুলের মাথায় গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমরেশ মণ্ডল জানান, খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন তরিকুল। বাসে জায়গা না পেয়ে ফিরে এসে চায়ের দোকানে বসেন। ওই দিন খুলনা সফরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তরিকুলের বাবা আবদুস সালাম শেখ সাংবাদিকদের বলেন, “আমার কিছু বলার নেই। রাজনীতিই আমার সব শেষ করে দিল।”

ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে, এলাকায় অভিযানও হচ্ছে। মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন লিখেছে, স্থানীয়দের ধারণা, মাদক কারবার ও সরকারি খাল দখল নিয়ে একটি পক্ষের সঙ্গে বিরোধের জেরে এ হত্যা হতে পারে। পুলিশ এ বিষয়ে কিছু নিশ্চিত করেনি। কারা এ হত্যার সঙ্গে জড়িত, তা এখনো অজানা।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মহানগর এলাকায় ৩৭টি হত্যা মামলায় ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। ২০২৫ সালে মামলা ছিল ৩৪টি। জেলা পুলিশের হিসাবে ২ নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ৩৮টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ২০২৫ সালে মামলা ছিল ৪৯টি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, খুনের বাইরে জেলায় অন্তত ৩৫টি হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।