ফতুল্লায় শ্রমিক আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে ২১ জনের নামে ও অজ্ঞাত দেড় হাজার জনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মিলন ফকির বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও দেড় হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেন। এজাহারের অভিযোগ, মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উসকানি দিয়েছেন। মামলায় ছয়জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ তাঁদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে। অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।#Fatullah #Narayanganj #GarmentWorkers #WageMovement #MeehaNews

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দেড় হাজার জনকে আসামি করে মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, বেতন বৃদ্ধির দাবিকে সামনে রেখে শ্রমিকদের সংগঠিত করার পেছনে ওই তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ইন্ধন ও উসকানি ছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা, সরকার উৎখাতের চেষ্টা এবং দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শামিম বলেন, আন্দোলনের আড়ালে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড ও সংঘাত উসকে দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার ছয়জনকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা হলেন লামাপাড়ার মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. শামীম হাসান (২৮), কোতালেরবাগ বউ বাজারের বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. মামুন (২৬), ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. ওমর ফারুক (৩৮), রামারবাগের ইমান তৌফিকের ছেলে ইমান ইমন (২৬), কোতালেরবাগের মৃত লিয়াকত হোসেনের ছেলে শাহিন আহম্মেদ এবং কায়েমপুরের আক্তারুজ্জামানের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।
এজাহারভুক্ত উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে আছেন কাঠেরপুল এলাকার যুবলীগ নেতা আজমত আলী, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল, কার্যকরী সদস্য মজিবর, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি টিপু সুলতান, মোফাজ্জল হোসেন চুন্নু, রাকিব হোসেন, ওয়াসিম, রতন, মো. রাকিব এবং ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ ও সেলিম।
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরেও পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলছে। সেখানেও পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তারদের কয়েকজনকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মী বলে দাবি করেছে। ফতুল্লার মামলার অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।





