মূল কনটেন্টে যান
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত তৌফিকের মৃত্যু, হামলাকারী নিয়ে ভিন্ন ভাষ্য

সোমবার (২ নভেম্বর) গাজীপুরে আন্দোলন চলাকালে গুরুতর আহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হাসপাতালে মারা যান। বন্ধু ও সহকর্মী সাব্বির হোসেনের দাবি, কারখানার ভাড়া করা লোকজন তৌফিককে মারধর করেছে। তৌফিকের কাছে স্মার্টফোন ছিল না বলে ভিডিও করার অভিযোগও তিনি নাকচ করেছেন। পুলিশ সুপারের বরাতে টিবিএস বাংলা জানিয়েছে, ভিডিও করতে দেখে আন্দোলনকারীরা ক্ষিপ্ত হন। জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেছেন, বহিরাগতদের সঙ্গে কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষে তিনি আহত হন। তৌফিকের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। বুধবার গ্রামের বাড়িতে তাঁর দাফন হয়েছে বলে আজকের পত্রিকা জানিয়েছে।#Gazipur #GarmentWorkers #WageMovement #MeehaNews

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত হয়ে মারা যাওয়া পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন
নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে হামলায় গুরুতর আহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন মারা গেছেন। তাঁকে কারা মেরেছে, তা নিয়ে একাধিক ভিন্ন ভাষ্য পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার উত্তরার শিনশিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আগের দিন সোমবার সংঘর্ষের মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। গাজীপুরে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলছে।

বন্ধুর ভাষ্য: ঘটনার সময় তৌফিকের সঙ্গে ছিলেন বন্ধু ও সহকর্মী সাব্বির হোসেন। বুধবার দুপুরে কালবেলা অনলাইনকে তিনি বলেন, দুপুরে খেয়ে অফিসে ফেরার পথে একটি গার্মেন্টসের সামনে দুই পক্ষকে হামলা করতে দেখেন। তাঁর দাবি, ওই কারখানার মালিক কিছু লোক রেখেছিলেন, যাঁরা বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করছিলেন। দুজনে মাঝখানে পড়ে যান। সাব্বির দৌড়ে রাস্তার অন্যপাশে চলে যান। পেছনে তাকিয়ে দেখেন, তৌফিক নিচে পড়ে আছেন, আর ভাড়া করা লোকজন তাঁকে মারধর করেছে বলে তাঁর দাবি। বিক্ষোভকারীদের ভিডিও করতে গিয়ে তৌফিক হামলার শিকার হয়েছেন, এই অভিযোগও তিনি নাকচ করেন। তাঁর ভাষ্য, তৌফিকের কাছে শুধু একটি বাটন ফোন ছিল। সাব্বির যে কারখানার কথা বলেছেন, তার নাম নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ধারণা: কালবেলাকে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আন্দোলনের সময় কয়েকটি কারখানার মালিক নিজেদের কারখানা রক্ষায় লোক নিয়োগ করেছিলেন। তাঁদের ধারণা, ওই লোকজনের হামলায় তৌফিকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। এটি প্রমাণিত তথ্য নয়।

ভিন্ন ভাষ্য: যুগান্তর, মজামিনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের বরাতে লিখেছে, সোমবার নোমান গ্রুপের একটি কারখানার সামনে হামলার ঘটনা মুঠোফোনে ধারণের চেষ্টা করছিলেন তৌফিক। তখন হামলাকারীরা তাঁকে মারধর করেন। টিবিএস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেছেন, আন্দোলনকারী শ্রমিকেরা তাঁকে ভিডিও করতে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি ও ইট দিয়ে হামলা করেন। অন্যদিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের বক্তব্য, একটি কারখানা বন্ধ করাতে বহিরাগতরা চাপ দিয়েছিলেন। কর্তৃপক্ষ রাজি না হলে বহিরাগতদের সঙ্গে ওই কারখানার শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়, তাতে এক শ্রমিক গুরুতর আহত হন। প্রথম আলো ও ঢাকা ট্রিবিউন বাংলার প্রতিবেদনে তাঁর এই বক্তব্য এসেছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় সেখানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না।

পরিচয়: তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেছে। আজকের পত্রিকার তথ্যমতে, বুধবার (৪ নভেম্বর) গ্রামের বাড়িতে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।