তালায় তিন দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পেলেন সদর ও কালীগঞ্জের ৩০ তরুণ
অগ্রগতি সংস্থার "জাগরণ" প্রকল্পের আওতায় ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ত্রিশ মাইলে যুবদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে। কর্মশালায় সাতক্ষীরা সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলার ১৫ জন করে মোট ৩০ জন তরুণ-তরুণী অংশ নেন। প্রশিক্ষণে নেতৃত্ব, মানবাধিকার, অ্যাডভোকেসি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহারের পাশাপাশি এলাকার সমস্যা সমাধানের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এবং সনদ পান। #Satkhira #YouthLeadership #CivicEngagement #HumanRights #MeehaNews

অগ্রগতি সংস্থার বাস্তবায়নাধীন “জাগরণ” প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরায় যুবদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়েছে। সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ডের (Civic Engagement Fund, সিইএফ) সহযোগিতায় তালা উপজেলার ত্রিশ মাইল মোড়ের অগ্রগতি রিসোর্টের হলরুমে ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর এ প্রশিক্ষণ হয়। এতে সাতক্ষীরা সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে ১৫ জন করে মোট ৩০ জন তরুণ-তরুণী অংশ নেন।
আয়োজকেরা জানান, যুবদের নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়ানো, সামাজিক দায়বদ্ধতা, জেন্ডার সমতা, মানবাধিকার, সক্রিয় নাগরিকত্ব এবং স্থানীয় উন্নয়নকাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে নেতৃত্ব, মানবাধিকার, “কাউকে পেছনে ফেলে নয়” নীতির ভিত্তিতে সামাজিক উন্নয়ন, সমস্যা চিহ্নিত করা, অ্যাডভোকেসি (advocacy), কার্যকর যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং নেটওয়ার্কিং নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। এ ছাড়া দলগত আলোচনা, শিক্ষামূলক খেলা ও ব্যবহারিক সেশনের মাধ্যমে তরুণেরা নিজ নিজ এলাকার সামাজিক সমস্যা বিশ্লেষণ করে তা সমাধানের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন।
প্রশিক্ষণ সেশনগুলো পরিচালনা করেন অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস, জাগরণ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. সুইট খান, প্রশিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন ও আবিদ হাসান এবং প্রোগ্রাম অফিসার সেলিমুর রহমান। প্রশিক্ষণের অগ্রগতি ও মান পর্যবেক্ষণ করেন আসমাউল সোহানা।
সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীরা তিন দিনে যা শিখেছেন এবং তাঁদের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পরে তাঁদের হাতে সনদ তুলে দেন নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তরুণেরা স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।





