যুব উন্নয়নের বাতিল নিয়োগ পরীক্ষা আজ, তদন্ত শেষ হয়নি
সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের বাতিল নিয়োগ পরীক্ষা আজ শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ১০ অক্টোবরের পরীক্ষা বাতিল হয়; প্রার্থীরা মতিঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ কয়েকটি সড়ক অবরোধ করেন। পদ ২৪২টি; আবেদনকারী প্রায় ৩ লাখ (অন্য প্রতিবেদনে ৩ লাখ ১৯ হাজার)। ফাঁসের তদন্ত শেষ না হওয়ায় আগের নিয়োগ কমিটির অধীনেই পরীক্ষা হচ্ছে। #YouthDevelopment #GovtJobs #QuestionLeak #Recruitment #MeehaNews

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাতিল হওয়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের এক ঘণ্টার এই পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
একাদশ গ্রেডের ২৪২টি পদের জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৩ লাখ প্রার্থী। জেলাভিত্তিক বা কেন্দ্রভিত্তিক নতুন তালিকা প্রতিবেদন লেখার সময় পাওয়া যায়নি।
১০ অক্টোবর শনিবার রাজধানীতে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। প্রার্থীরা ঢাকায় পৌঁছে গেলেও শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা বাতিল করা হয়। প্রথম আলোর বিবরণ অনুযায়ী, ওএমআর শিট বিতরণের প্রায় দুই মিনিট পর কেন্দ্রে প্রার্থীদের বাতিলের কথা জানানো হয়। আগের রাতে প্রশ্নপত্রের অংশবিশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডি এম আতিকুর রহমান জানান, ছড়িয়ে পড়া কিছু প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের অংশের সঙ্গে মিলে গেছে।
পরীক্ষা বাতিলের পর মতিঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সাত মসজিদ সড়কসহ ঢাকার কয়েকটি সড়কে বিক্ষোভ করেন প্রার্থীরা। যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার খরচের কথা বলে কেউ কেউ ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন। যশোরের এম এম কলেজের শিক্ষার্থী ফারিয়া ফেরদৌস ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এক প্রার্থী প্রথম আলোকে নিজেদের ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন।
ফাঁসের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। ইউএন কোরিয়া নিউজ (জেকেএন)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খান। কমিটি মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমার জন্য আরও দুই দিন সময় চেয়েছে। কমিটিতে আইসিটি বিভাগের একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ যুক্ত হয়েছেন।
পুনর্নির্ধারিত পরীক্ষাও আগের নিয়োগ কমিটির অধীনেই হচ্ছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন বলেছেন, ফাঁসে জড়িত কারা, তা এখনো জানা যায়নি; তাই বিদ্যমান কমিটিকে দায়ী করা যায় না। নতুন কমিটি গঠনের ক্ষমতা অধিদপ্তরের নেই, মন্ত্রণালয়ই তা করতে পারে। সাবেক সচিব আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, সরকার কমিটি পুনর্গঠন করতে পারত। তিনি আশা করেন, বর্তমান কমিটি সতর্ক থাকবে।





