সঙ্গীকে হত্যার অভিযোগে তরুণী ও তার মা গ্রেফতার
দক্ষিণ ২৪ পরগনার গড়িয়ার ফরতাবাদে শনিবার (৭ নভেম্বর) গভীর রাতে সার্থক সরকারকে (২৫) ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিভ-ইন সঙ্গী সঞ্চালিকা বসু ও তাঁর মা মৌমিতা বসুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বচসার কারণ ও মায়ের ভূমিকা নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ খতিয়ে দেখছে। সার্থকের বাবা বলেছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।#WestBengal #Kolkata #CrimeNews #MeehaNews

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার গড়িয়ায় লিভ-ইন (live-in) সঙ্গী সার্থক সরকারকে (২৫) ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে এক তরুণী ও তাঁর মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার দুজন সঞ্চালিকা বসু ও তাঁর মা মৌমিতা বসু। শনিবার (৭ নভেম্বর) গভীর রাতে ফরতাবাদ এলাকার একটি আবাসনে ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সার্থকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে। ওই আবাসনে সঞ্চালিকার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতেন তিনি। ইন্ডিয়াহুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেওয়া।
অভিযোগ, কোনো একটি বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা হচ্ছিল। একপর্যায়ে সঞ্চালিকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সার্থকের কাঁধে আঘাত করেন। গুরুতর আহত সার্থক মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর সঞ্চালিকা প্রতিবেশীদের কাছে গিয়ে জানান, তাঁর ঘরে দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা গিয়ে সার্থককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সায়ন পাল বলেন, শনিবার রাতে এক নারী এসে জানান, তাঁর বাড়িতে বিপদ ঘটেছে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সেখানে গিয়ে বিছানার ওপর রক্তাক্ত একটি মরদেহ দেখতে পান। ওই নারীর গলায় আঁচড়ের দাগও ছিল বলে জানান তিনি। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এসে মরদেহ স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সার্থকের বাবা সুজয় সরকার জানান, ওই দিন সকালে খাওয়াদাওয়া সেরে বের হওয়ার সময় ছেলে বলেছিলেন, তিনি ডায়মন্ড হারবার যাবেন। রাতে সার্থকের বোন ফোন করে ভাইয়ের অবস্থা খারাপ বলে দ্রুত যেতে বলেন। সুজয় সরকার আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তাঁরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করবেন।
পুলিশ প্রথমে সঞ্চালিকাকে গ্রেফতার করে, পরে তাঁর মাকে। হত্যাকাণ্ডে মায়ের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সেই সন্দেহেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। বচসার কারণ এবং মায়ের ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্ত করছে নরেন্দ্রপুর থানা। এশিয়ানেট নিউজ বাংলার তথ্যমতে, ঘটনায় তৃতীয় কোনো ব্যক্তি জড়িত কি না, তা-ও পুলিশ দেখছে।





