রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহ হত্যা, গ্রেপ্তার ১
রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিব উল্লাহ হত্যা মামলার আসামি খাইরুল আমিন ওরফে বলি আমিনকে (৪৫) কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৫। এসআরবির তথ্যমতে, তাঁর বিরুদ্ধে উখিয়া, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অন্তত ১৫টি মামলা এবং আদালতের তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। আসামিকে আলামতসহ কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।#Rohingya #CoxsBazar #SRB #CrimeNews #MeehaNews

রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিব উল্লাহ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি খাইরুল আমিন ওরফে বলি আমিনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)। শনিবার দিবাগত রাতে কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবির তথ্যমতে, বলি আমিন মিয়ানমারের নাগরিক। তাঁর বাড়ি উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইস্টের ডি/৪ ব্লকে। বাবার নাম নূর হোসেন।
এসআরবি তাঁকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী এলাকার চিহ্নিত অপরাধী বলে দাবি করেছে। সংস্থাটির ভাষ্য, হত্যা, অস্ত্র, মাদক, মানবপাচার ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে উখিয়া, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা আছে। মাদক ও দস্যুতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে ধরা হয় বলে জানিয়েছে এসআরবি। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। রোববার বিকেলে এসআরবি-১৫–এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, গ্রেপ্তার আসামি ও উদ্ধার করা আলামত কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং দীর্ঘদিন পলাতক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে।
২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদল অস্ত্রধারীর গুলিতে মুহিব উল্লাহ নিহত হন। পরদিন তাঁর ভাই হাবিবুল্লাহ উখিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এর আগে একাধিক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন।





