ইরান যুদ্ধে আর অর্থ নয়, ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেনের আহ্বান
মেরিল্যান্ডের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেন দ্য লেভার পডকাস্টকে বলেছেন, ১১ ডিসেম্বরের পর ইরান যুদ্ধ চালাতে অর্থ বরাদ্দের কোনো উদ্যোগ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করা উচিত নয়। তিনি যুদ্ধকে "অবৈধ" বলে উল্লেখ করেছেন। যুদ্ধ শুরু হয়েছিল কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া, এ নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের আপত্তি আছে। এপির সাক্ষাৎকারে ভ্যান হলেন সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা হিসেবে চাক শুমারকে সমর্থনের প্রশ্নে এখনো প্রতিশ্রুতি দেননি। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য যুদ্ধকেই দায়ী করেছেন।#USPolitics #IranWar #ChrisVanHollen #USCongress #MeehaNews

ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ১১ ডিসেম্বরের পর অর্থ বরাদ্দের কোনো উদ্যোগে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন দেওয়া উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের প্রেক্ষাপটে তিনি এ আহ্বান জানান।
মেরিল্যান্ডের এই ডেমোক্র্যাট সিনেটর দ্য লেভার পডকাস্টকে বলেন, সরকারি তহবিলের বিল ১১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই তারিখ কংগ্রেসের জন্য ট্রাম্পের সামরিক সিদ্ধান্তে অর্থ আটকে রাখার সুযোগ তৈরি করছে। ভ্যান হলেনের বক্তব্য, তহবিল চালু রাখার বিলে যুদ্ধের খরচ নিয়ে স্পষ্ট বিধিনিষেধ না থাকলে ডেমোক্র্যাটদের তা এগিয়ে নেওয়া উচিত নয়। তাঁর দাবি, এটি একটি অবৈধ যুদ্ধ। করদাতার অর্থ যেন তা চালাতে ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের উদাহরণ টেনে বলেন, কংগ্রেস অর্থ বন্ধ করার পরই সে যুদ্ধ শেষ হয়েছিল।
আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানে যুদ্ধ শুরু করেন। ডেমোক্র্যাটদের মত, সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসের। এই যুক্তি ও বৈধতার প্রশ্নে হোয়াইট হাউসের আইনি অবস্থান এই প্রতিবেদনের সূত্রে পাওয়া যায়নি। টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারও ৪ নভেম্বর বলেছেন, এই যুদ্ধ শেষ হতে হবে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তহবিলের ওপর নিয়ন্ত্রণ দিয়ে ডেমোক্র্যাটরা সেই চাপ তৈরি করতে পারে।
নির্বাচনের পর শুমারকে সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা হিসেবে আবার সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নে ভ্যান হলেন এখনো সম্মতি জানাননি। এপিকে তিনি বলেন, দল কোন পথে যাবে, তা নিয়ে “পূর্ণ, খোলামেলা ও সৎ আলোচনা” দরকার। নেতৃত্বে দাঁড়ানো যে কেউ ক্ষমতা ভালো কাজে ব্যবহারের স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন, এটিও তাঁর প্রত্যাশা। তিনি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা “সক্রিয়ভাবে” খতিয়ে দেখছেন বলেও জানিয়েছেন।
রিপাবলিকান শিবিরেও যুদ্ধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে। এপির তথ্য অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অনলাইনে লিখেছেন, রিপাবলিকানরা হেরেছে যুদ্ধের কারণে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মূল্য যুদ্ধের জন্য যথার্থ ছিল কি না।





