সুইজারল্যান্ডে নদীতীরে খণ্ডিত লাশ: আশ্রয়কেন্দ্রে একই কক্ষে থাকা বাংলাদেশি সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার
২৫ অক্টোবর সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের স্টাইন এলাকায় রাইন নদীর তীর ও নদী থেকে বুরুন্ডির এক নাগরিকের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার হয়। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ৪৩ বছর বয়সি এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন। জেলা অ্যাটর্নি কার্যালয় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার পটভূমি ও উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত মেলেনি।#Switzerland #Bangladesh #CrimeNews #MeehaNews

সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের স্টাইন এলাকায় রাইন নদীর তীর থেকে এক ব্যক্তির খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সি এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আশ্রয়কেন্দ্রে তিনি নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বুরুন্ডির নাগরিক। সুইস গণমাধ্যম ২০ মিনিটেন (20 Minuten) ও ব্লিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর বয়স ছিল ৩৩ বছর। ২৪ অক্টোবর তাঁর নিখোঁজ হওয়ার কথা পরিচিতজনেরা পুলিশকে জানান। পরদিন ২৫ অক্টোবর, রোববার সকালে নদীতীর থেকে লাশের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার হয়। ২০ মিনিটেনের খবরে বলা হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রের তিনজন বাসিন্দা ব্যাগটি প্রথম খুঁজে পান। স্থানটি তাঁদের আশ্রয়কেন্দ্রের কাছেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেহ কেটে আলাদা করে আবর্জনার ব্যাগে ভরে রাইন নদীতে ও তীরবর্তী এলাকায় ফেলা হয়েছিল। পরের তল্লাশিতে আরও ব্যাগ পাওয়া যায়। ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউটের পরীক্ষায় পরিচয় নিশ্চিত হয়।
তদন্তে নামে আর্গাউ ক্যান্টন পুলিশ। আশ্রয়কেন্দ্রের কয়েকজন বাসিন্দার আচরণ তদন্তকারীদের সন্দেহের জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র ও লাশ উদ্ধারের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে ওই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে সন্দেহ জোরালো হয়। ২৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের তথ্য প্রসিকিউটররা প্রকাশ করেন শুক্রবার (৩০ অক্টোবর)।
রাইনফেলডেন-লাউফেনবুর্গ জেলা অ্যাটর্নি কার্যালয় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। সন্দেহভাজনকে আটক রাখার আবেদনও জানানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত ক্রম, পটভূমি ও উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্যের প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
তদন্তকালে সন্দেহভাজনের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে বলে জানানো হয়েছে। এর সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা যাচাই করছেন তদন্তকারীরা। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তি নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।





