শিক্ষামন্ত্রীর ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহার: পদত্যাগ চেয়ে বায়তুল মোকাররমে খেলাফত যুব মজলিশের মিছিল
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ চেয়ে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জুমার পর বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ। সংগঠনটি বলছে, মন্ত্রীর বক্তব্য ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী; ২৮ অক্টোবর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে তিনি 'ট্রান্সজেন্ডার' শব্দটি বলেছিলেন। মন্ত্রী ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি 'তৃতীয় লিঙ্গ' বলতে চেয়েছিলেন এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করেছেন। তাঁর ভাষ্য, বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা।#Bangladesh #EducationMinister #BaitulMukarram #MeehaNews

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ থেকে সংগঠনটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
সংগঠনটির অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধবিরোধী ট্রান্সজেন্ডারিজমকে সমর্থন করে। এ জন্যই তাঁর পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে। মিছিলে কতজন অংশ নেন, তা জানা যায়নি।
বিতর্কের সূত্রপাত বুধবার (২৮ অক্টোবর)। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেন। এরপর তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন।
শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মন্ত্রী এ নিয়ে ব্যাখ্যা দেন। তিনি লেখেন, অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের এক শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে এই জনগোষ্ঠীর শিক্ষায় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার প্রসঙ্গেই তিনি কথা বলেছিলেন। মন্ত্রীর ভাষ্য, সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন; এসব বাধা পেরিয়ে শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল কথা।
মন্ত্রী লেখেন, ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তাঁর অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’। পোস্টের শেষে তিনি জানান, দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে।





