কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪
শশীদল ইউনিয়নের উত্তর তেঁতাভূমি নোয়াপাড়ায় ৩ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ সাতজন গ্রেপ্তার। হরিমঙ্গল-বাঁশতলী সড়কে ৪০ বোতল স্কাফ সিরাপ ও একটি মোটরসাইকেলসহ দুজন গ্রেপ্তার। জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক এক আসামি এবং ডাকাতির মামলার তদন্তে প্রাপ্ত এক আসামিও গ্রেপ্তারদের মধ্যে আছেন। মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুজনকে সামারি ট্রায়ালের আদালতে পাঠানো হয়েছে।#Comilla #Brahmanpara #DrugRaid #MeehaNews

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, চোরাকারবারি, জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ও ডাকাতির একটি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত এক আসামিসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় থানা-পুলিশের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শশীদল ইউনিয়নের উত্তর তেঁতাভূমি নোয়াপাড়া এলাকায় উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। একটি বাড়ির দরজার সামনে থেকে ৩ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সাতজন হলেন বিল্লাল হোসেন (৫৫), সোহেল (৪২), বাদশা (৪৮), হারুন (৬৮), শহিদ মিয়া (৫৭), নাজমুল হক (৪৭) ও মমিনুল ইসলাম (৬০)।
আরেক অভিযানে শশীদল রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে ভারতীয় বাজি ও স্কিনশাইন ক্রিমসহ সায়েম (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
হরিমঙ্গল-বাঁশতলী ইটের সলিং সড়কে এসআই মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৪০ বোতল স্কাফ সিরাপ ও একটি নীল রঙের সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হন মনিরুজ্জামান মিয়াদ (২৩) ও আল আমিন (৩৫)।
সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি ও ডাকাতিসংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি শাহারুল ইসলাম তাজিম জাবেদ হাসানকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি জুবায়েরও গ্রেপ্তার হন।
এসআই সুজন কুমার আচার্য্য ও মো. শামীম হোসেনের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে সোহেল আজাদ (২৩) ও দেলোয়ার হোসেন (৪০) গ্রেপ্তার হন। তাঁদের সামারি ট্রায়ালের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।





