লাখাইয়ে আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যার অভিযোগ, ডোবায় মিলল মরদেহ
হবিগঞ্জের লাখাইয়ের ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তারেক মিয়ার (২২) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২২ অক্টোবর রাতে আইফোনের লোভে বন্ধু সাহেল তাঁকে গলা কেটে হত্যা করেন। সাহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করে পুলিশ। হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলছে।#Habiganj #Lakhai #Murder #MeehaNews

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার লোভে বন্ধু তারেক মিয়াকে (২২) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে শাহ আলমের বাড়ির সামনের রাস্তার উত্তর পাশের একটি ডোবা থেকে তাঁর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বন্ধু সাহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তারেক নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৌশতপুর গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। সাহেল একই গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুজন বন্ধু ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, ২২ অক্টোবর রাতে সাহেল কৌশলে তারেককে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গোপন করতে পাশের ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান। আজকের পত্রিকা ও সময়ের কণ্ঠস্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারেকের আইফোন ১১ নিয়ে সাহেলের লোভ জন্মেছিল।
তারেক বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবার নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। জিডির সূত্র ধরে তদন্তে নামে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় সাহেলকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে লাখাই ও নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
ঢাকা মেইলের প্রতিবেদনে ঘটনার একটি ভিন্ন বিবরণ আছে। সেখানে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, কাজের উদ্দেশ্যে দুই বন্ধু ওই দিন ফুলবাড়িয়ায় যান। আইফোন নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হত্যা করা হয়।





