পটিয়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তানিয়াকে হত্যা: স্বামী ও ননদ গ্রেপ্তার, আদালতে স্বামীর স্বীকারোক্তি
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তানিয়া কামাল নিহাত (২০) শ্বাসরোধে নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। স্বামী নুরু উদ্দিন (২৩) ও ননদ জ্যোৎস্না আক্তার (২৮) গ্রেপ্তার হয়েছেন। নুরু উদ্দিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ননদের স্বামী মো. খোকনসহ আরও দু-তিনজনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। পলাতকদের ধরতে অভিযান চলছে। নিহতের পরিবার যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ করেছে। পুলিশের প্রাথমিক বিবরণে ঘটনার কারণ হিসেবে পারিবারিক কলহের কথা বলা হয়েছে।#PatiyaNews #Chattogram #CrimeNews #MeehaNews

চট্টগ্রামের পটিয়ায় নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ তানিয়া কামাল নিহাতকে (২০) শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী নুরু উদ্দিন (২৩) ও ননদ জ্যোৎস্না আক্তারকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নুরু উদ্দিন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পটিয়া থানা-পুলিশের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের বিবরণ অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরকানাই মোনাফ হাজিরপাড়ায় স্বামীর বাড়ির শোবার ঘরে তানিয়ার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই বাড়ি থেকে নুরু উদ্দিন ও জ্যোৎস্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নুরু উদ্দিন এলাকার কাঞ্চন মিয়া ও আলতাজ বেগমের ছেলে। জ্যোৎস্না মো. খোকনের স্ত্রী। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা কুসুমপুরা ইউনিয়নের মহিরা এলাকার হামজা মিয়ার বাড়ি।
পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জানান, নিহতের পক্ষের এজাহারের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মামলা হয়েছে। জয় নিউজ বিডির তথ্যমতে, মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায়। গ্রেপ্তারের পর দুজনকে আদালতে পাঠানো হলে নুরু উদ্দিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এজাহারে স্বামী ও ননদের পাশাপাশি ননদের স্বামী মো. খোকন এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দু-তিনজনের জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
পুলিশের প্রাথমিক বিবরণে ঘটনার কারণ হিসেবে পারিবারিক কলহের কথা বলা হয়েছে। যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জবানবন্দিতে নুরু উদ্দিন পরকীয়ার সন্দেহের কথা জানিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে দেয়ালে মাথা ফাটিয়ে ও গলা টিপে হত্যার কথাও এসেছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে তানিয়াকে প্রায়ই নির্যাতন করা হতো। প্রেমের সম্পর্কের পর তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। তানিয়ার সন্তান প্রসবের সম্ভাব্য সময় ছিল আর কয়েক দিন পরই।





