বাউফলে খালে মেলা মরদেহ নিয়ে হত্যা মামলা, পরিচয় নিশ্চিত হবে ডিএনএ পরীক্ষায়
বাউফলের খাল থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহকে নিখোঁজ বাবা আলম গাজীর দাবি করে হত্যা মামলা করেছেন বড় মেয়ে রিপা বেগম। আলম গাজী ২১ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ। মরদেহ উদ্ধার হয় ২৩ অক্টোবর। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছে না। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।#Patuakhali #Baufal #MurderCase #DNATest #MeehaNews

পটুয়াখালীর বাউফলে খাল থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহকে নিখোঁজ বাবার বলে দাবি করে হত্যা মামলা করেছেন এক মেয়ে। তবে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাউফল থানায় মামলাটি করেন আলম গাজীর (৫৫) বড় মেয়ে রিপা বেগম (৩২)। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে বাউফল পৌর শহরের বাংলাবাজার জামে মসজিদসংলগ্ন খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের দুই হাত বাঁধা এবং শরীরের সঙ্গে ইট বাঁধা ছিল। অর্ধগলিত হওয়ায় মুখ দেখে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, আলম গাজী গত ২১ অক্টোবর বাউফলে ছোট স্ত্রী ফারজানা বেগমের বাসা থেকে নিখোঁজ হন। এরপর তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিল। মরদেহের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি দেখে তাঁর বড় ছেলে সাইফুল ইসলামের সন্দেহ হয়, এটি তাঁদের বাবার হতে পারে।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি পটুয়াখালীর সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ইত্তেফাকের তথ্যমতে, পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বজনদের দাবির ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে মরদেহটি আলম গাজীর কি না। আলামত ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে বলে তিনি জানান।
যমুনা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সকালে কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের সংগ্রহ করা লুঙ্গি ও টি-শার্ট দেখে স্বজনেরা মরদেহটিকে নিখোঁজ ব্যক্তির বলে শনাক্ত করেছেন। পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করেনি।





