মূল কনটেন্টে যান
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

বর্ষা শেষেও বরিশালের ৮ নদীতে ভাঙন অব্যাহত

- বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও বরিশালের মেঘনা, কালাবদর, তেঁতুলিয়া, সন্ধ্যা, সুগন্ধা, কীর্তনখোলা, পাণ্ডব ও আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। - মেহেন্দিগঞ্জের চরগোপালপুর ও আলিমাবাদ ইউনিয়নে ১০ দিনে ৮০টি বসতঘর এবং একটি বাজারের প্রায় ৪০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। - বাবুগঞ্জ, চরবাড়ীয়া, চরমোনাই, শায়েস্তাবাদ ও লামচরীসহ বিভিন্ন এলাকায় বসতভিটা, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। #RiverErosion #Barishal #ClimateVulnerability #Bangladesh #MeehaNews

বর্ষা শেষেও বরিশালের ৮ নদীতে ভাঙন অব্যাহত
বরিশালের বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙনে বসতভিটা, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মুখেছবি: সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও বরিশালের নদ-নদীতে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। মেঘনা, কালাবদর, তেঁতুলিয়া, সন্ধ্যা, সুগন্ধা, কীর্তনখোলা, পাণ্ডব ও আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে একের পর এক বসতবাড়ি, বাজার, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। কোথাও বসতঘর সরিয়ে নেওয়ার আগেই তা নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে, আবার কোথাও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা চলে এসেছে ভাঙনের কিনারায়।

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নদীভাঙনের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মেঘনা, কালাবদর ও তেঁতুলিয়া নদীতীরবর্তী চরগোপালপুর ও আলিমাবাদ ইউনিয়নে সাম্প্রতিক ১০ দিনে ৮০টি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে একটি বাজারের প্রায় ৪০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও নদীগর্ভে চলে গেছে।

এ ছাড়া উপজেলার গোবিন্দপুর, চর মিঠুয়া, দড়িরচর খাজুরিয়া, আদর্শ নগর, আন্দারমানিক, জাঙ্গালিয়া ও দক্ষিণ উলানিয়া এলাকায় নদীভাঙন নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মেহেন্দিগঞ্জের পাশাপাশি বাবুগঞ্জ উপজেলায়ও সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এসব নদীর ভাঙনে সড়ক, বেড়িবাঁধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান ও শতাধিক বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

বিশেষ করে বাবুগঞ্জের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে ভাঙন বরিশাল বিমানবন্দরের দক্ষিণ পাশের নিরাপত্তাপ্রাচীরের দিকে এগিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে প্রাচীরটির কাছাকাছি ভাঙনের দূরত্ব প্রায় ৬০০ মিটার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ দূরত্ব প্রকাশের আগে হালনাগাদ সূত্রে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়ীয়া, চরমোনাই ও শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নেও নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত দেড় দশকে চরবাড়ীয়া ইউনিয়নের লামচরী গ্রামের কয়েকশ পরিবার তাদের বসতভিটা সম্পূর্ণ হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নদীভাঙন অনেক সময় এত দ্রুত ঘটে যে বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ও জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পান না। বিশেষ করে রাতের আঁধারে ভাঙন শুরু হলে নিজেদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং সম্পদ রক্ষার সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়ে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

Md. Imran Mahmud

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

সারাংশ

বর্ষা শেষেও বরিশালের ৮ নদীতে ভাঙন অব্যাহত

- বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও বরিশালের মেঘনা, কালাবদর, তেঁতুলিয়া, সন্ধ্যা, সুগন্ধা, কীর্তনখোলা, পাণ্ডব ও আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
- মেহেন্দিগঞ্জের চরগোপালপুর ও আলিমাবাদ ইউনিয়নে ১০ দিনে ৮০টি বসতঘর এবং একটি বাজারের প্রায় ৪০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
- বাবুগঞ্জ, চরবাড়ীয়া, চরমোনাই, শায়েস্তাবাদ ও লামচরীসহ বিভিন্ন এলাকায় বসতভিটা, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
#RiverErosion #Barishal #ClimateVulnerability #Bangladesh #MeehaNews

আজ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।