মূল কনটেন্টে যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

২০২৭ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চার নতুন বই, ২৫ অক্টোবর চূড়ান্ত অনুমোদনের কথা

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বই যুক্ত হবে। ২৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির সভায় বইগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে। অনুমোদনের পর প্রায় দেড় কোটি কপি বই ছাপা হবে। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে মুদ্রণ শেষ করার আশা এনসিটিবির। পরে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয় প্রথম থেকে পঞ্চম এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস ও কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে।#NewTextbooks #NCTB #Education2027 #MeehaNews

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ভবন
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডছবি: সংগৃহীত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে চারটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত করতে যাচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। চতুর্থ শ্রেণিতে যুক্ত হবে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’। ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ (Learning with Happiness) ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’।

এনসিটিবি জানায়, ২৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসি) সভায় বইগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে। অনুমোদন মিললে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ কপি ছাপার জন্য পাঠানো হবে। বোর্ডের সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মাদ আবু নাসের টুকু জানান, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে মুদ্রণ শেষ করার আশা আছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, চারটি বইয়ের পাণ্ডুলিপি তৈরি ও ভ্যালিডেশন (validation) সফলভাবে শেষ হয়েছে। এনসিটিবির ভাষ্য, মুখস্থবিদ্যা ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক পড়াশোনার বাইরে এনে শিক্ষার্থীদের আনন্দময়, বাস্তবমুখী, দক্ষতাভিত্তিক ও নৈতিক শিক্ষার দিকে নিতেই বইগুলো করা হয়েছে।

চতুর্থ শ্রেণির ‘খেলাধুলা’ বইয়ে ১৪টি অধ্যায় আছে। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস ও দাবার মৌলিক নিয়মের সঙ্গে কারাতে, জুডো ও তায়কোয়ান্দোর মতো আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো হবে। খেলতে গিয়ে আঘাত পাওয়া, নাক দিয়ে রক্ত পড়া বা হিট স্ট্রোকের মতো পরিস্থিতিতে করণীয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসাও থাকছে।

‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বইয়ের ১১টি অধ্যায়ে ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা, পোশাক, শিল্পকলা, খাদ্যসংস্কৃতি, সামাজিক রীতিনীতি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনধারা তুলে ধরা হবে। প্রতিভা অন্বেষণের আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি’র ইতিহাস এবং ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের উদ্যোগের বিষয়টিও বইয়ে রাখা হয়েছে।

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বইটি ছয় অধ্যায়ের। এখানে আনন্দময় অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ও সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও সৃজনশীলতার সঙ্গে পাঠ্যবিষয়ের সংযোগও থাকবে। আট অধ্যায়ের ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বইয়ে হাতে-কলমে শেখা, সমস্যা সমাধান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার পরিচিতি, ছোট উদ্যোগ, সবুজ প্রযুক্তি ও টেকসই জীবনযাপনের বিষয় আছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, বইগুলোর পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও শিক্ষাভাবনা রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী চান শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক শিষ্টাচার ও সুনাগরিকের গুণ তৈরি হোক, আর কর্মসংস্থানের পথও খুলুক।

পরিকল্পনা অনুযায়ী পরে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয় দুটি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস ও কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।