মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

ইরানকে ৯০টি হেলিকপ্টার-সংযোজিত ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া, দাবি এফটির

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) তথ্য অনুযায়ী, রুশ প্রতিরক্ষা শিল্পের নথিতে ‘কে-১০’ নামের ক্রেতার জন্য ৯০টি ‘এপিইউ-এল’ লঞ্চারের রপ্তানি আদেশ আছে। এফটির মতে ‘কে-১০’ ইরান। লঞ্চারগুলো এমআই-২৮ হেলিকপ্টারে বসানো যায় এবং প্রতিটিতে দুটি এলএমইউআর ক্ষেপণাস্ত্র থাকে। নথিতে লঞ্চার তৈরি বা সরবরাহের প্রমাণ নেই। এফটি এর আগে ‘সি৪৩০এল’ প্রকল্পে রুশ সহায়তার কথাও জানিয়েছিল। ওই প্রযুক্তি মোতায়েনের প্রমাণ মেলেনি।#Russia #Iran #FinancialTimes #Defence #MeehaNews

রুশ এমআই-২৮ আক্রমণকারী হেলিকপ্টার
৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার পাচ্ছে ইরানছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া ইরানের কাছে ৯০টি হেলিকপ্টার-সংযোজিত ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার বিক্রিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (এফটি)। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে তারা জানায়, এসব লঞ্চার থেকে ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর ব্যবহৃত নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়।

এফটির হাতে আসা একটি রুশ প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪-২০২৫ সালের উৎপাদন-সূচিতে ‘কে-১০’ নামের এক ক্রেতার জন্য ৯০টি ‘এপিইউ-এল’ মডেলের লঞ্চার রপ্তানির আদেশ আছে। এফটি লিখেছে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক রোসোবোরোনএক্সপোর্ট এই সংকেতে ইরানকে বোঝায়। নথিতে সাতজন রুশ ও দুজন বিদেশি ক্রেতার নাম আছে। বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে চীন ১৯২টি এপিইউ-৩০৫ লঞ্চার চেয়েছে। নথিতে এই ৯০টি লঞ্চার আদৌ তৈরি হয়েছে কি না কিংবা ইরানে পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

মার্কিন সেনাবাহিনীর ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইকুইপমেন্ট গাইড’ অনুযায়ী, এপিইউ-এল রুশ এমআই-২৮ আক্রমণকারী হেলিকপ্টারের জন্য তৈরি। প্রতিটিতে দুটি এলএমইউআর (‘ইজদেলিয়ে ৩০৫’) ক্ষেপণাস্ত্র থাকে। সচল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এই ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা। ইরান ইতোমধ্যে এমআই-২৮ সংগ্রহ করেছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইরানি কর্মকর্তারা হেলিকপ্টার হস্তান্তরের ব্যবস্থা চূড়ান্ত হওয়ার কথা জানান। এফটি লিখেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তেহরানের একটি বিমান স্থাপনায় এমআই-২৮-এর ছবি অনলাইনে আসে। ২০২৪ সালের মে মাসে ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা ভিম্পেল আরেক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানকে লঞ্চারের যন্ত্রাংশ সরবরাহে দেরি হলে কয়েকটি চুক্তি ঝুঁকিতে পড়বে বলে সতর্ক করে।

এই প্রতিবেদন এফটির আগের কিছু অনুসন্ধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। সেপ্টেম্বরে এফটি জানায়, ‘সি৪৩০এল’ প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের র‍্যামজেট ইঞ্জিন প্রকল্পে সহায়তা করেছেন। ইরান ওই ইঞ্জিন তৈরি করে পরীক্ষা করেছে। তবে রুশ সহায়তায় তৈরি কোনো সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন হয়েছে, এর প্রমাণ নেই। ফেব্রুয়ারিতে এফটি আরও জানায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মস্কো ও তেহরান ৫০ কোটি ইউরোর চুক্তি করেছে। এতে ৫০০টি ‘ভের্বা’ কাঁধে বহনযোগ্য লঞ্চার ও ২ হাজার ৫০০ ক্ষেপণাস্ত্রের কথা আছে। ক্রেমলিন, রোসোবোরোনএক্সপোর্ট বা ইরান সরকারের এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

আন্তর্জাতিক ডেক্স

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।