হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে যাত্রাবাড়ীর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার
৪ নভেম্বর মহাখালীর ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) হেফাজতে নেয়। রাতে যাত্রাবাড়ী থানার ২০২৪ সালের একটি হত্যা মামলায় (মামলা নম্বর ২৩) তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁর সঙ্গে নেওয়া ডিবিসির বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ডিবি সূত্র জানায়, ৫ নভেম্বর তাঁকে আদালতে হাজির করার কথা।#Bangladesh #IqbalSobhanChowdhury #DBC #DhakaPolice #MeehaNews

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও ডিবিসি নিউজের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে যাত্রাবাড়ী থানার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৪ নভেম্বর) দিবাগত রাতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শফিকুল ইসলাম জানান, মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানার ২০২৪ সালের ২৬ আগস্টে দায়ের করা, মামলা নম্বর ২৩। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত নয়। মামলার বাদী ও এজাহারের অভিযোগ কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি। ইকবাল সোবহান চৌধুরী বা তাঁর আইনজীবীর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
বুধবার দুপুরে মহাখালীর ডিবিসি কার্যালয় থেকে তাঁকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সে সময় ডিবিসির বিশেষ প্রতিনিধি (অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক) রাজীব ঘোষকেও ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিএমপির উপ-কমিশনার আকতার হোসেন তখন বলেছিলেন, একটি খবর প্রচারকে কেন্দ্র করে ডিবিসিতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি কী, তা তিনি স্পষ্ট করেননি। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, ডিবি তাঁদের সঙ্গে কথা বলছে। পরে রাত ৯টায় ডিবিপ্রধান জানান, তাঁদের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ডিবি সূত্র জানায়, রাজীব ঘোষকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডিবি সূত্রে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ইকবাল সোবহানকে আদালতে হাজির করা হবে।
ডিবিসির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুক্তাদীর অনিক বিডিনিউজকে বলেন, কেন ইকবাল সোবহানকে নেওয়া হয়েছে, তা তাঁরা স্পষ্টভাবে জানেন না। তাঁর ধারণা জুলাই অভ্যুত্থানের সময়কার মামলার সঙ্গে বিষয়টি সম্পর্কিত। তাঁর ভাষ্য, ইকবাল সোবহান অফিস থেকে বেরোনোর সময় রাস্তা থেকে ডিবি তাঁকে নিয়ে গেছে। রাজীব ঘোষকে “ধরে নিয়ে যাওয়া” হয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার ঘটনায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও ক্র্যাব উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা তাঁর অবস্থান জানানো ও মুক্তি দাবি করে।





