কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবু মোকারম দুই বছর পর সোনারগাঁয় গ্রেপ্তার
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে সোনারগাঁর মেঘনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আবু মোকারমকে (৪৪) গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রামের চন্দনাইশে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু মোকারমকে ২০১৩ সালের ১৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ওই বছরের ৯ জুলাই থেকে তিনি কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারাগারে দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগের সময় তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।#SRB #Sonargaon #Narayanganj #KashimpurJail #MeehaNews

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু মোকারমকে (৪৪) দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সোনারগাঁ থানার মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযানে তাঁকে ধরা হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে এসআরবি-১১–এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন। আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল (সর্দার বাড়ি) এলাকার আবু তালেবের ছেলে।
মামলার বিবরণ ও এসআরবি-১১–এর তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে আবু মোকারম ও অন্য আসামিরা তাঁর বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে ফেলে রাখেন। চন্দনাইশ থানায় করা হত্যা মামলায় তিনি ছিলেন প্রধান আসামি। বিচার শেষে ২০১৩ সালের ১৯ মে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ওই বছরের ৯ জুলাই থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন।
এসআরবির বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর কারাগারে বন্দিরা দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করেন। কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে মই বানানো হয়। সেই মই দিয়ে উঁচু সীমানাপ্রাচীর টপকে বহু বন্দি পালিয়ে যান। আবু মোকারমও তাঁদের একজন।
এসআরবি জানায়, পরের দুই বছর তিনি ছদ্মবেশ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদ, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে এসআরবি-১১–এর একটি দল তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে।
পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।





