উখিয়ার ইনানীতে নলকূপের জন্য খননের সময় মাটির নিচ থেকে আগুন, ১৫ কিলোমিটারে বিদ্যুৎ বন্ধ
মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার ছোট ইনানীতে একটি বাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ বসাতে বোরিং করার সময় মাটির নিচ থেকে গ্যাসের সঙ্গে আগুন বের হয়। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নেভাতে পারেনি; পরে সেনাবাহিনীর ফায়ার টিম নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় ৩৩ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাস আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়; পরীক্ষার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।#CoxsBazar #Ukhia #Inani #GasFire #MeehaNews

কক্সবাজারের উখিয়ার পর্যটন এলাকা ইনানীতে নলকূপ বসানোর জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে ভূগর্ভ থেকে আগুন ও গ্যাসের গন্ধযুক্ত ধোঁয়া বের হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালের এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর সাড়ে ১২টার পরও আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার সাইদুল ইসলাম জানান, ছোট ইনানী এলাকায় আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির বাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য বোরিং করা হচ্ছিল। এ সময় মাটির নিচ থেকে গ্যাসের সঙ্গে আগুন বের হতে শুরু করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গেলেও আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি। পরে সেনাবাহিনীর একটি ফায়ার টিম এসে নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের সঙ্গে আগুনের তীব্রতা বেশি।
সাইদুল ইসলামের প্রাথমিক ধারণা, মাটির নিচে জমে থাকা গ্যাসের চাপ থেকে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শামসুল আলম বলেন, আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
আগুন বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, ৩৩ কেভি লাইনের মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় সরবরাহ বন্ধ আছে।
ঘটনাস্থলের কাছের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কর্মী আলামিন সমকালের প্রতিবেদককে জানান, যেখানে আগুন লেগেছে, তার পাশের ঘরেই কয়েকজন হোটেলকর্মী থাকেন। হঠাৎ আগুন দেখে তাঁরা খুব ভয় পেয়ে যান।
ভূগর্ভে প্রাকৃতিক গ্যাস আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেছেন, এলাকাটিতে আগেও গ্যাস পাওয়ার কথা তিনি স্থানীয়দের কাছে শুনেছেন। পরীক্ষার মাধ্যমে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।





