৮ বছর নারী সেজে আত্মগোপনে, পুলিশ ধরল যেভাবে
তুরস্কের পুলিশ ইস্তাম্বুলের কাদিকয় এলাকা থেকে তুঘরুল বাসারকে গ্রেপ্তার করেছে। ২০১৮ সালে সাজা এড়াতে পালানোর পর তিনি আট বছর পলাতক ছিলেন। পুলিশের ধারণা, তিনি চেহারা বদলে বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে চলাফেরা করতেন। আঙুলের ছাপ মিলিয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়। তাঁকে পুরুষদের কারাগারে পাঠানো হবে, কারণ সরকারি নথিতে তাঁর নাম ও লিঙ্গ বদলায়নি।#Turkey #Istanbul #Fugitive #Kadikoy #MeehaNews

তুরস্কে আট বছর পলাতক থাকা সাজাপ্রাপ্ত তুঘরুল বাসারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইস্তাম্বুলের কাদিকয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে ধরা হয়। পুলিশের ভাষ্য, চেহারা বদলে এবং বোনের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তিনি এত দিন আড়ালে ছিলেন।
টি-ভাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইস্তাম্বুল পুলিশের ওয়ান্টেড পারসনস ব্যুরোর কর্মকর্তারা ৬ সেপ্টেম্বর, রোববার তাঁকে আটক করেন। ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল। ২০১০ সালে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে তিনটি চুরির ঘটনায় তাঁকে সাজা দেওয়া হয়। কারাদণ্ড এড়াতে তিনি ২০১৮ সালে পালিয়ে যান। সাজার মেয়াদ নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে ভিন্নতা আছে। ডেইলি এক্সপ্রেসের বরাতে প্রাপ্ত তথ্যে তিন বছর, আর তুরস্কের সংবাদ সংস্থা ডিএইচএ-র বরাতে ব্লু নিউজ লিখেছে সাত বছর এগারো মাস।
পলাতক থাকার সময় বাসার নারীর বেশে চলাফেরা করতেন। এতে পুরোনো ছবির সঙ্গে তাঁকে মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে। ডেইলি এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে তাঁকে রূপান্তরকামী নারী হিসেবে উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে। ডিএইচএর প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি পরিচয় এড়াতে নারীর পোশাক পরতেন। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম সোজকু ও গুনেশ এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করেছে। বিষয়টি পুলিশ বা আদালতের কোনো বিবৃতিতে নিশ্চিত হয়নি।
পুলিশের ধারণা, বাসার বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন এবং নিরাপত্তা তল্লাশি পার হতেন। গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে কাদিকয় এলাকায় পৌঁছান। সেখানে নজরদারির পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। থানায় আঙুলের ছাপ মিলিয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়।
আটকের পর তাঁকে কাদিকয় ইসকেলে পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০১০ সালের চুরির ঘটনায় পাওয়া সাজা তাঁকে ভোগ করতে হবে। অন্যের পরিচয়পত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য জালিয়াতির অভিযোগে ইস্তাম্বুলে পৃথক তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সাজা বাড়তে পারে।
পুলিশের তথ্যমতে, বাসার সরকারি নথিতে নিজের নাম বা লিঙ্গ বদলাননি। তুরস্কের আইনে সরকারি পরিচয়পত্রের লিঙ্গ অনুযায়ী বন্দীর অবস্থান ঠিক হয়, তাই তাঁকে পুরুষদের কারাগারে পাঠানো হবে।





